ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

পবিস-১ আবাসিক মিটারে বিল সাড়ে ১১ লাখ টাকা

পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের একটি আবাসিক ভবনের মিটারে সেপ্টেম্বর মাসের ভূতুরে বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঐ ভবনে কেউ বসবাস না করলেও বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫শত ৮৭ টাকা।  আর ব্যবহার হয়েছে ৯০ হাজার ১ শত ৫০ ইউনিট।
বিল প্রস্তুত কারক আসমা ও এ জিএম অর্থ এর স্বাক্ষর সম্বলিত বিলটি ১৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারা হাতে পান। কিন্তু মিটার মালিক জানান গত ৬ মাসে পরিবারের কোন সদস্যই থাকেন না ওই বাড়িতে। এরকম ভৌতিক বিল পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ-১ সমিতির অফিসে নতুন কোন বিষয় না।
কারো নজরদারী না থাকায় এসকল ঘটনা ঘটলেও পবিস-১ প্রশাসন নিরব ভুমিকা প্রদর্শন করে। জোর করেই দোষ চাপানো হয় গ্রাহকের ঘাড়ে। এই অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, অদক্ষ অপারেটর দ্বারা বিদ্যুৎ বিল তৈরির ফলে বিদ্যুৎ বিলের কপিতে নাম, পিতার নাম, মোবাইল নং ভুলে ভরা। তারা মিটার রিডিং না করে অফিসে বসেই বিদ্যুৎ বিল তৈরি করেন। এ জিএম অর্থর এই বিল ক্রসচেক করার স্বাক্ষর থাকলেও তিনি কিছুই করেন না। এছাড়া মিটারে কম বিদ্যুৎ ব্যাবহার দেখিয়ে বছর শেষে হাতিয়ে নেয় অতিরিক্ত টাকা। ফলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ৩ লক্ষ গ্রাহক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন বিভিন্ন সময়।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার অধীর কুমার সরকারের জিরো পয়েন্ট বাড়ীর ৪৭৬৬ নং হিসাবের সেপ্টেম্বর-২২ মাসের বিদ্যুৎ বিল দায়িত্বরত লোকের কাছে দিয়ে চলে যান। এসময় পরিবারের লোকজন বিদ্যুৎ বিলের
পরিমান দেখে আতকে উঠেন। মিটার রিডার রেজাউলকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি দেখছি বলে এই বিলের কপিটি নিয়ে যেতে চান। পরে রাতে আবারো নতুন করে প্রিন্ট দেওয়া হয় এই বিল।
 সকালে এজিএম অর্থকে দিয়ে জোর পূর্বক আগের বিল নিয়ে নতুন বিল চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন মিটার রিডার। এসকল বিষয় নিয়ে ভূক্তোভগীসহ এলাকাবাসী চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অদক্ষ লোকবল আর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করার অনুরোধ জানান সমিতির সদস্যরা।
বিল প্রস্তুতকারী আসমা খাতুন ভূল স্বীকার করে জানান, মানুষই ভুল করে। কাজ করতে গেলে একটু ভূল হতেই পারে। নিউজটি না প্রকাশের জন্যও অনুরোধ করেন তিনি।
এ ব্যাপারে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ- ১ এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আকমল হোসেন জানান, বিলটি কেউ ক্রসচেক করলে এমনটি হতো না। যদি কারো দোষ থাকে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আদালতের নির্দেশের পরও বিরোধপূর্ণ বাড়িতে বসবাস

error: Content is protected !!

পবিস-১ আবাসিক মিটারে বিল সাড়ে ১১ লাখ টাকা

আপডেট টাইম : ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
শুভাশীষ ভট্টাচার্য্য তুষার, পাবনা জেলা প্রতিনিধি :
পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের একটি আবাসিক ভবনের মিটারে সেপ্টেম্বর মাসের ভূতুরে বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঐ ভবনে কেউ বসবাস না করলেও বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫শত ৮৭ টাকা।  আর ব্যবহার হয়েছে ৯০ হাজার ১ শত ৫০ ইউনিট।
বিল প্রস্তুত কারক আসমা ও এ জিএম অর্থ এর স্বাক্ষর সম্বলিত বিলটি ১৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারা হাতে পান। কিন্তু মিটার মালিক জানান গত ৬ মাসে পরিবারের কোন সদস্যই থাকেন না ওই বাড়িতে। এরকম ভৌতিক বিল পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ-১ সমিতির অফিসে নতুন কোন বিষয় না।
কারো নজরদারী না থাকায় এসকল ঘটনা ঘটলেও পবিস-১ প্রশাসন নিরব ভুমিকা প্রদর্শন করে। জোর করেই দোষ চাপানো হয় গ্রাহকের ঘাড়ে। এই অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, অদক্ষ অপারেটর দ্বারা বিদ্যুৎ বিল তৈরির ফলে বিদ্যুৎ বিলের কপিতে নাম, পিতার নাম, মোবাইল নং ভুলে ভরা। তারা মিটার রিডিং না করে অফিসে বসেই বিদ্যুৎ বিল তৈরি করেন। এ জিএম অর্থর এই বিল ক্রসচেক করার স্বাক্ষর থাকলেও তিনি কিছুই করেন না। এছাড়া মিটারে কম বিদ্যুৎ ব্যাবহার দেখিয়ে বছর শেষে হাতিয়ে নেয় অতিরিক্ত টাকা। ফলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ৩ লক্ষ গ্রাহক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন বিভিন্ন সময়।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার অধীর কুমার সরকারের জিরো পয়েন্ট বাড়ীর ৪৭৬৬ নং হিসাবের সেপ্টেম্বর-২২ মাসের বিদ্যুৎ বিল দায়িত্বরত লোকের কাছে দিয়ে চলে যান। এসময় পরিবারের লোকজন বিদ্যুৎ বিলের
পরিমান দেখে আতকে উঠেন। মিটার রিডার রেজাউলকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি দেখছি বলে এই বিলের কপিটি নিয়ে যেতে চান। পরে রাতে আবারো নতুন করে প্রিন্ট দেওয়া হয় এই বিল।
 সকালে এজিএম অর্থকে দিয়ে জোর পূর্বক আগের বিল নিয়ে নতুন বিল চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন মিটার রিডার। এসকল বিষয় নিয়ে ভূক্তোভগীসহ এলাকাবাসী চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অদক্ষ লোকবল আর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করার অনুরোধ জানান সমিতির সদস্যরা।
বিল প্রস্তুতকারী আসমা খাতুন ভূল স্বীকার করে জানান, মানুষই ভুল করে। কাজ করতে গেলে একটু ভূল হতেই পারে। নিউজটি না প্রকাশের জন্যও অনুরোধ করেন তিনি।
এ ব্যাপারে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ- ১ এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আকমল হোসেন জানান, বিলটি কেউ ক্রসচেক করলে এমনটি হতো না। যদি কারো দোষ থাকে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।