আপডেট টাইম :
০৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
২২১
বার পঠিত
নিম্নচাপের প্রভাবে ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে বরগুনার উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল
শাকিল মিয়াঃ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দুপুরে বরগুনা সদর, পাথরঘাটা, আমতলী ও তালতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেড়িবাঁধের বাইরের অংশ প্লাবিত হয়। এ সময় বরগুনার আমতলী-পুরাকাটা ও বড়ইতলা-বাইনচোটকি ফেরি ঘাটের বেশিরভাগ অংশ তলিয়ে যায়। . দুপুরে সদরের বড়ইতলা এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বড়ইতলা এলাকার বেড়িবাঁধের বাইরের অন্তত দুই শতাধিক বসতঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে রান্নাঘর। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দ . বড়ইতলার বাসিন্দা মো. শহীদ বলেছেন, বুধবার রাত থেকে একটানা ভারী বর্ষণে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে নদীতে। রাতেও জোয়ারে প্লাবিত হয়েছিল এই গ্রাম। কিন্তু, আজ দুপুরের জোয়ারের পানি আরো বেড়েছে। . ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে আমতলীর আড়পাঙ্গাশিয়া, বেতাগীর কালিকা বাড়ি, তালতলীর জয়ালভাংগা, পাথরঘাটার জীনতলা এলাকার বেড়িবাঁধের বাইরের অন্তত দেড় হাজার বসতঘর। আমতলী-পুরাকাটা ফেরি ঘাটের গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটছে। . এদিকে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঢাকা-বরগুনা রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। তবে, জেলার ছোট-বড় প্রায় অর্ধশতাধিক খেয়াঘাটে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে নৌকা।
শাকিল মিয়াঃ
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দুপুরে বরগুনা সদর, পাথরঘাটা, আমতলী ও তালতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেড়িবাঁধের বাইরের অংশ প্লাবিত হয়। এ সময় বরগুনার আমতলী-পুরাকাটা ও বড়ইতলা-বাইনচোটকি ফেরি ঘাটের বেশিরভাগ অংশ তলিয়ে যায়।
.
দুপুরে সদরের বড়ইতলা এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বড়ইতলা এলাকার বেড়িবাঁধের বাইরের অন্তত দুই শতাধিক বসতঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে রান্নাঘর। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দ
.
বড়ইতলার বাসিন্দা মো. শহীদ বলেছেন, বুধবার রাত থেকে একটানা ভারী বর্ষণে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে নদীতে। রাতেও জোয়ারে প্লাবিত হয়েছিল এই গ্রাম। কিন্তু, আজ দুপুরের জোয়ারের পানি আরো বেড়েছে।
এদিকে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঢাকা-বরগুনা রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। তবে, জেলার ছোট-বড় প্রায় অর্ধশতাধিক খেয়াঘাটে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে নৌকা।