আপডেট টাইম :
০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩
৩১৮
বার পঠিত
নাগেশ্বরীতে মামলার সাক্ষীর উপর সন্ত্রাসী হামলা একজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ২৫জুলাই দুপুর ২ঘটিকার সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়ে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। ঘটনা সুত্রে জানা গেছে, রায়গঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম রায়গঞ্জ রায়চান্দার পাড় গ্রামের মৃত সুলতান আলীর পুত্র মকবুল হোসেন ও আশরাফুল আলমের উপর একই গ্রামের আবুল শেখের পুত্র আনোয়ার হোসেনের নের্তৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত ভাবে হামলা করে। হামলায় আশরাফুল আলম বেচে গেলেও মকবুল গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। ঘটনার বিষয়ে আহত মকবুলের স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানায়, আমাদের সাথে তাদের কোন ঝগড়া নেই। কিন্তু মকবুল ও তার ছেলে স্ত্রী মিলে আমার স্বামীকে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। আহত মকবুলের ভাই আশরাফুল আলম বলেন, আমি ও আমার ভাই মকবুল হোসেন মটর বাইকে রায়গঞ্জ বাজারে যাচ্ছিলাম। এমতাবস্থায় পিছন থেকে আনোয়ার, আঙ্গুর, আতা, ব্যাটারি মকবুল ও আঞ্জুয়ারা আমাদের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে, হামলায় আমার ভাই পরে গেলে আমি জীবন বাচানোর তাগিদে গাড়ি চালিয়ে চলে যাই। ঘটনার বিষয়ে গোলজার হোসেন বলেন, আনোয়ার মকবুল ভাইয়ের আত্মীয়ের কিছু গাছ কেটে নেয়, এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানায় একটি অভিযোগ করা হয়। উক্ত অভিযোগের তদন্তের সময় মকবুল ভাই স্বাক্ষী দেয়ায় আনোয়ার ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন দিয়ে হামলা করে। আরও পড়ুনঃ ১৩ রাষ্ট্রদূতকে ডেকে সতর্ক করল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আহত মকবুলের ছেলে মশিউর রহমান বাবু বাদী হয়ে নাগেশ্বরী থানায় একটি অভিযোগ দাখিল...
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ২৫জুলাই দুপুর ২ঘটিকার সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়ে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।
ঘটনা সুত্রে জানা গেছে, রায়গঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম রায়গঞ্জ রায়চান্দার পাড় গ্রামের মৃত সুলতান আলীর পুত্র মকবুল হোসেন ও আশরাফুল আলমের উপর একই গ্রামের আবুল শেখের পুত্র আনোয়ার হোসেনের নের্তৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত ভাবে হামলা করে। হামলায় আশরাফুল আলম বেচে গেলেও মকবুল গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।
ঘটনার বিষয়ে আহত মকবুলের স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানায়, আমাদের সাথে তাদের কোন ঝগড়া নেই। কিন্তু মকবুল ও তার ছেলে স্ত্রী মিলে আমার স্বামীকে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে।
আহত মকবুলের ভাই আশরাফুল আলম বলেন, আমি ও আমার ভাই মকবুল হোসেন মটর বাইকে রায়গঞ্জ বাজারে যাচ্ছিলাম। এমতাবস্থায় পিছন থেকে আনোয়ার, আঙ্গুর, আতা, ব্যাটারি মকবুল ও আঞ্জুয়ারা আমাদের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে, হামলায় আমার ভাই পরে গেলে আমি জীবন বাচানোর তাগিদে গাড়ি চালিয়ে চলে যাই।
ঘটনার বিষয়ে গোলজার হোসেন বলেন, আনোয়ার মকবুল ভাইয়ের আত্মীয়ের কিছু গাছ কেটে নেয়, এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানায় একটি অভিযোগ করা হয়। উক্ত অভিযোগের তদন্তের সময় মকবুল ভাই স্বাক্ষী দেয়ায় আনোয়ার ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন দিয়ে হামলা করে।