আপডেট টাইম :
০৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪
২২৫
বার পঠিত
-ছবিঃ প্রতীকী।
দৌলতপুরে সাবেক স্ত্রী ও শ্বাশুড়ি কে কুপিয়ে জখমঃ ঘাতক জামাই আটক
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউপির বাহির মাদী গ্রামে সাবেক স্ত্রী ও শ্বাশুড়ি কে কুপিয়ে জখম করেছে ঘাতক জামাই কে আটক করেছে থানা পুলিশ। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ও পরিবার সুত্রে জানাযায়, গত সোমবার রাত ২ টাই উপজেলার ফিলিপনগর ইউপির বাহির মাদী গ্রামে সাবেক জামাই মহরম প্রামাণিকের সন্ত্রাসী ছেলে মাসুম (৩৪) তার তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী সুমিতা খাতুন (২৪) ঘরে ঢুকে তাকে ডেকে অতর্কিত ভাবে চাপাতি দিয়ে কোপাতে থাকে তার ডাক চিৎকারে পাশের ঘরে থেকে মা মিনু খাতুন (৫৫) বের হয়ে আসলে তাকেও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। তাদের আত্মচিৎকারে ভাই আব্দুর রশিদ সহ এলাকার লোকজন বের হয়েছে ঘাতক মাসুমকে আটক করে এবং আহত মা মেয়ে কে উদ্ধার করে দ্রুত দৌলতপুর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তার অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। আরও পড়ুনঃ মোবাইলে কথা বলতে না পেরে সালথায় গৃহবধূর আত্মহত্যা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের অবস্থা খারাপ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।বর্তমানে তারা রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা ধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। থানা পুলিশ ওই রাতে ঘাতক মাসুমকে আটক করে কোট হাজতে প্রেরণ করেছেন।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউপির বাহির মাদী গ্রামে সাবেক স্ত্রী ও শ্বাশুড়ি কে কুপিয়ে জখম করেছে ঘাতক জামাই কে আটক করেছে থানা পুলিশ। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবার সুত্রে জানাযায়, গত সোমবার রাত ২ টাই উপজেলার ফিলিপনগর ইউপির বাহির মাদী গ্রামে সাবেক জামাই মহরম প্রামাণিকের সন্ত্রাসী ছেলে মাসুম (৩৪) তার তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী সুমিতা খাতুন (২৪) ঘরে ঢুকে তাকে ডেকে অতর্কিত ভাবে চাপাতি দিয়ে কোপাতে থাকে তার ডাক চিৎকারে পাশের ঘরে থেকে মা মিনু খাতুন (৫৫) বের হয়ে আসলে তাকেও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।
তাদের আত্মচিৎকারে ভাই আব্দুর রশিদ সহ এলাকার লোকজন বের হয়েছে ঘাতক মাসুমকে আটক করে এবং আহত মা মেয়ে কে উদ্ধার করে দ্রুত দৌলতপুর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তার অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের অবস্থা খারাপ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।বর্তমানে তারা রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা ধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। থানা পুলিশ ওই রাতে ঘাতক মাসুমকে আটক করে কোট হাজতে প্রেরণ করেছেন।