জাতীয় ডেস্ক: সম্প্রতি বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে আমলা ও কর্মকর্তাদের প্রটোকল বা শিষ্টাচার ভঙ্গ করার প্রবণতা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন সময়ে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আচরণে সাধারণ শিষ্টাচারের ব্যত্যয় ঘটার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসায় প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও তাদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন নাগরিকরা। নির্ধারিত নিয়ম উপেক্ষা করে অনেকেই নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি চাকুরিজীবীদের মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সেবক হিসেবে নিরপেক্ষভাবে কাজ করা এবং নির্দিষ্ট সরকারি নিয়ম ও প্রটোকল কঠোরভাবে মেনে চলা। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এর উল্টো চিত্র প্রায়ই দেখা যায়, যা সামগ্রিকভাবে প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দূরুত্ব বজায় রাখা এবং নিজেদের বিশেষ মর্যাদাবান হিসেবে জাহির করার এই মানসিকতা জনসেবামূলক কার্যক্রমের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পেছনে জবাবদিহিতার অভাব এবং তদারকি সংস্থার নমনীয় নীতিকে দায়ী করছেন অনেকে। সুশাসনের অভাব এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ কর্মকর্তাদের এমন বেপরোয়া আচরণে উৎসাহ জোগাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বারবার এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার পরও যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় অপরাধপ্রবণতা দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই ধরনের প্রটোকল লঙ্ঘনের ঘটনা রোধ করতে হলে প্রশাসনিক কাঠামোয় সংস্কার আনা অত্যন্ত জরুরি বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের নিয়মিত নৈতিকতা ও শিষ্টাচার বিষয়ক প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং পেশাদার প্রশাসন গড়ে তুলতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 























