দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
২০১
বার পঠিত
ঠাকুরগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় ১১ আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণ
জসীমউদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে এক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় ১১ জন আসামিকে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এই আদেশ দেন জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিঞা। মামলা সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর থানার ভূতডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা বাবর আলীর বৌমা সামিয়া আক্তারের সাথে পীরগঞ্জ থানার ৫১পুর গ্রামের মুক্তারুল ইসলামের মোবাইল ফোনে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। সেই সুবাদে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর মুক্তারুল ইসলাম সামিয়াকে মুঠোফোনে ডেকে তাদের বাড়িতে যান। মুক্তারুলকে বাড়িতে দেখে সামিয়ার শশুরসহ ৮-১০ জন অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলার এক পর্যায়ে মুক্তারুল ইসলামকে শ্বাসরোধ করে তার মাথায় আঘাত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে বেঁধে জোরপূর্বক তার মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়। গুরুতর অবস্থায় মুক্তারুলকে রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে মুক্তারুল ইসলাম মারা যান। এ ঘটনায় পীরগঞ্জ উপজেলার একান্নপুর গ্রামের মৃত মুক্তারুল ইসলামের পিতা আব্দুল খালেক হরিপুর থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দ্রুত ঠাকুরগাঁও জেলা জজ কোর্টে প্রেরণ করা হয়। হাজিরা না দিয়ে আসামিরা হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান, এরপর বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তারা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন...
জসীমউদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে এক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় ১১ জন আসামিকে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এই আদেশ দেন জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিঞা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর থানার ভূতডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা বাবর আলীর বৌমা সামিয়া আক্তারের সাথে পীরগঞ্জ থানার ৫১পুর গ্রামের মুক্তারুল ইসলামের মোবাইল ফোনে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। সেই সুবাদে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর মুক্তারুল ইসলাম সামিয়াকে মুঠোফোনে ডেকে তাদের বাড়িতে যান। মুক্তারুলকে বাড়িতে দেখে সামিয়ার শশুরসহ ৮-১০ জন অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
হামলার এক পর্যায়ে মুক্তারুল ইসলামকে শ্বাসরোধ করে তার মাথায় আঘাত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে বেঁধে জোরপূর্বক তার মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়। গুরুতর অবস্থায় মুক্তারুলকে রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে মুক্তারুল ইসলাম মারা যান।
এ ঘটনায় পীরগঞ্জ উপজেলার একান্নপুর গ্রামের মৃত মুক্তারুল ইসলামের পিতা আব্দুল খালেক হরিপুর থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দ্রুত ঠাকুরগাঁও জেলা জজ কোর্টে প্রেরণ করা হয়।
হাজিরা না দিয়ে আসামিরা হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান, এরপর বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তারা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে ১১ আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।