জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৬ ঘণ্টা টোল ছাড়াই চলবে এক্সপ্রেসওয়ে
জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে দেশের যান চলাচল ব্যবস্থায় একটি বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। এই দিনটিতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও সহজ করার উদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষ একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর ফলে নগরবাসী এবং দূরপাল্লার যাত্রীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ধরনের আর্থিক চার্জ ছাড়াই নির্দিষ্ট সড়কপথ ব্যবহার করতে পারবেন।বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই টোল অব্যাহতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে আগামী শনিবার সকাল ছয়টা থেকে শুরু করে দুপুর বারোটা পর্যন্ত এই বিশেষ সুবিধা পুরোপুরি কার্যকর থাকবে। এই ছয় ঘণ্টার নির্দিষ্ট সময়ে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর দিয়ে চলাচলকারী সব ধরনের মোটরযান সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবে।উল্লেখ্য যে এই বিশেষ উদ্যোগের সুফল পেতে চালক বা যানবাহনের মালিকদের কোনো অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতা বা পাস সংগ্রহ করতে হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত প্রবেশপথগুলো দিয়ে যাতায়াতকারী প্রতিটি গাড়িই এই টোলমুক্ত সুবিধার আওতাভুক্ত হবে। এর ফলে ওই সময়ে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।জাতীয় এই দিবসটিকে কেন্দ্র করে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি কমাতেই মূলত এই যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে এই সুব্যবস্থার মাধ্যমে নগরবাসী নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন এবং দিবসটির তাৎপর্য আরও সুন্দরভাবে উদযাপিত হবে।
জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে দেশের যান চলাচল ব্যবস্থায় একটি বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। এই দিনটিতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও সহজ করার উদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষ একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর ফলে নগরবাসী এবং দূরপাল্লার যাত্রীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ধরনের আর্থিক চার্জ ছাড়াই নির্দিষ্ট সড়কপথ ব্যবহার করতে পারবেন।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই টোল অব্যাহতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে আগামী শনিবার সকাল ছয়টা থেকে শুরু করে দুপুর বারোটা পর্যন্ত এই বিশেষ সুবিধা পুরোপুরি কার্যকর থাকবে। এই ছয় ঘণ্টার নির্দিষ্ট সময়ে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর দিয়ে চলাচলকারী সব ধরনের মোটরযান সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবে।
উল্লেখ্য যে এই বিশেষ উদ্যোগের সুফল পেতে চালক বা যানবাহনের মালিকদের কোনো অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতা বা পাস সংগ্রহ করতে হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত প্রবেশপথগুলো দিয়ে যাতায়াতকারী প্রতিটি গাড়িই এই টোলমুক্ত সুবিধার আওতাভুক্ত হবে। এর ফলে ওই সময়ে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।
জাতীয় এই দিবসটিকে কেন্দ্র করে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি কমাতেই মূলত এই যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে এই সুব্যবস্থার মাধ্যমে নগরবাসী নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন এবং দিবসটির তাৎপর্য আরও সুন্দরভাবে উদযাপিত হবে।