ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত রাখতে এবং জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে যেভাবে দেশের স্বার্থবিরোধী নানা চক্রান্ত রুখে দেওয়া হয়েছিল, ঠিক একইভাবে বর্তমান সময়েও সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে। ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ছিনিয়ে নিতে না পারে, সেটিই এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত বলে তিনি দৃঢ় অভিমত ব্যক্ত করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন যে, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি ও জনতার স্বতঃস্ফূর্ত ও ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেছিল। তিনি আরও বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে দেশের জনগণ বারবার তাদের সাহসিকতার প্রমাণ দিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানেও সর্বস্তরের মানুষের সাহসী অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল দেশের স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই, আর পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থান ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার সুমহান সংগ্রাম।

তারেক রহমান তার বাণীতে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার বিভিন্ন মাইলফলক তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান—এই প্রতিটি ঘটনার অন্তনিহিত মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন। এসব আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের ভোটাধিকারসহ সব গণতান্ত্রিক অধিকার পুনর্বহাল করা এবং একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটের ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেই দেশের ভবিষ্যৎ পথচলা নির্ধারণ করতে হবে বলে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, দেশের বর্তমান বাস্তবতায় জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা সঠিকভাবে ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি। দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত যে, কোনো বিদেশি শক্তির প্রভাব নয়, বরং সবার আগে দেশের স্বার্থই অগ্রাধিকার পাবে। ৭ নভেম্বরের এই ঐতিহাসিক বৈপ্লবিক চেতনাই যেন আগামী দিনে বাংলাদেশ গঠনের মূল প্রেরণা ও পাথেয় হিসেবে কাজ করে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি। পরিশেষে, দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা বিভিন্ন কর্মসূচির সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করে তিনি দেশবাসীকে অভিনন্দন জানান।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

জানুন যুক্তরাজ্যের শীতকালীন উৎসবের অন্দরে কী থাকে

error: Content is protected !!

৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত রাখতে এবং জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে যেভাবে দেশের স্বার্থবিরোধী নানা চক্রান্ত রুখে দেওয়া হয়েছিল, ঠিক একইভাবে বর্তমান সময়েও সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে। ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ছিনিয়ে নিতে না পারে, সেটিই এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত বলে তিনি দৃঢ় অভিমত ব্যক্ত করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন যে, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি ও জনতার স্বতঃস্ফূর্ত ও ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেছিল। তিনি আরও বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে দেশের জনগণ বারবার তাদের সাহসিকতার প্রমাণ দিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানেও সর্বস্তরের মানুষের সাহসী অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল দেশের স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই, আর পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থান ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার সুমহান সংগ্রাম।

তারেক রহমান তার বাণীতে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার বিভিন্ন মাইলফলক তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান—এই প্রতিটি ঘটনার অন্তনিহিত মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন। এসব আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের ভোটাধিকারসহ সব গণতান্ত্রিক অধিকার পুনর্বহাল করা এবং একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটের ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেই দেশের ভবিষ্যৎ পথচলা নির্ধারণ করতে হবে বলে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, দেশের বর্তমান বাস্তবতায় জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা সঠিকভাবে ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি। দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত যে, কোনো বিদেশি শক্তির প্রভাব নয়, বরং সবার আগে দেশের স্বার্থই অগ্রাধিকার পাবে। ৭ নভেম্বরের এই ঐতিহাসিক বৈপ্লবিক চেতনাই যেন আগামী দিনে বাংলাদেশ গঠনের মূল প্রেরণা ও পাথেয় হিসেবে কাজ করে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি। পরিশেষে, দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা বিভিন্ন কর্মসূচির সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করে তিনি দেশবাসীকে অভিনন্দন জানান।