ঢাকা , সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

চরকিং মাজেদীয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ৩২ জনের মধ্যে ৯ জন পাশ

২০২৪ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। নোয়াখালী বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলাতে সব কয়টি মাদ্রাসা ও হাই স্কুলের ফলফল সন্তোষজনক ও মান সম্মত থাকলেও একমাত্র খাসেরহাট মাজেদীয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় ফলাফলে বিপর্যয় ঘটেছে।এতে ফেল করা ছাত্রীদের অভিভাবক ও এলাকাবাসীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
২০২৪ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিবরণীতে দেখা যায়, অত্র মাদ্রাসাতে ৩২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেবলমাত্র ৯জন পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। বাকী ২৩জন ছাত্রী ফেল করেছে। ফলাফল বিপর্যয়ে অভিভাবক মহলে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। একই ভাবে এ মাদ্রাসার পড়াশোনার মান ও শিক্ষকদের দায় দায়িত্ব নিয়েও নানা রকমের প্রশ্ন উঠছে।
পরীক্ষায় অকৃতকার্যকর এক ছাত্রীর অভিভাবক আরিফুল ইসলাম জানান, অত্র মাদ্রাসাটি আমাদের এলাকায় হওয়ায় মেয়েদেরকে সামাজিক নিরাপত্তার সুবিধার্থে আমরা এখানে পড়ালেখার জন্য দিয়েছি। কিন্তু এখানে পড়ালেখার মান যে এত নিম্মমানের তা জানা ছিলনা। এখানে প্রতিষ্ঠান প্রধানের যথাযথ দায়িত্ব পালনে অবহেলা রয়েছে। অধিকন্তু শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষকদের পাঠদানে চরম উদাসীনতা ও আন্তরিকতার অভাব অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: আল আমিন ফলাফল বিপর্যয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই মাদ্রাসাতে নন কোয়ালিফাইড গেষ্ট টিচার দিয়ে ক্লাশ করানো, সুপার ও সহকারি সুপার ক্লাশ ফাঁকি দিয়ে ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকা সহ আধুনিক পাঠদান কার্যক্রম থেকে সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাইলে মাদ্রাসা সুপার আবু জাফর মো. ইকবাল বলেন, গণিতের পরীক্ষায় নির্দিষ্ট সময়ের ১০ মিনিট বিলম্বে অবজেক্টিভ পেপার সরবরাহ করায় যথাযথ ভাবে মেয়েরা তা উত্তরপত্র সম্পন্ন করতে পারেনি। যেকারণে বেশীর ভাগ মেয়েদের ফল খারাপ হয়েছে। শ্রেণি শিক্ষা পাঠদান কার্যক্রমে অনিয়মের অভিভাবকদের অভিযোগ প্রসঙ্গে সুপার জানান, শিক্ষক সংকটের কারণে আমাদেরকে জোড়াতালি দিয়ে অনেকদিন থেকে ক্লাশগুলো চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাঠে না নেমেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

error: Content is protected !!

চরকিং মাজেদীয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ৩২ জনের মধ্যে ৯ জন পাশ

আপডেট টাইম : ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪
হানিফ উদ্দিন সাকিব, হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
২০২৪ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। নোয়াখালী বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলাতে সব কয়টি মাদ্রাসা ও হাই স্কুলের ফলফল সন্তোষজনক ও মান সম্মত থাকলেও একমাত্র খাসেরহাট মাজেদীয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় ফলাফলে বিপর্যয় ঘটেছে।এতে ফেল করা ছাত্রীদের অভিভাবক ও এলাকাবাসীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
২০২৪ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিবরণীতে দেখা যায়, অত্র মাদ্রাসাতে ৩২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেবলমাত্র ৯জন পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। বাকী ২৩জন ছাত্রী ফেল করেছে। ফলাফল বিপর্যয়ে অভিভাবক মহলে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। একই ভাবে এ মাদ্রাসার পড়াশোনার মান ও শিক্ষকদের দায় দায়িত্ব নিয়েও নানা রকমের প্রশ্ন উঠছে।
পরীক্ষায় অকৃতকার্যকর এক ছাত্রীর অভিভাবক আরিফুল ইসলাম জানান, অত্র মাদ্রাসাটি আমাদের এলাকায় হওয়ায় মেয়েদেরকে সামাজিক নিরাপত্তার সুবিধার্থে আমরা এখানে পড়ালেখার জন্য দিয়েছি। কিন্তু এখানে পড়ালেখার মান যে এত নিম্মমানের তা জানা ছিলনা। এখানে প্রতিষ্ঠান প্রধানের যথাযথ দায়িত্ব পালনে অবহেলা রয়েছে। অধিকন্তু শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষকদের পাঠদানে চরম উদাসীনতা ও আন্তরিকতার অভাব অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: আল আমিন ফলাফল বিপর্যয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই মাদ্রাসাতে নন কোয়ালিফাইড গেষ্ট টিচার দিয়ে ক্লাশ করানো, সুপার ও সহকারি সুপার ক্লাশ ফাঁকি দিয়ে ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকা সহ আধুনিক পাঠদান কার্যক্রম থেকে সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাইলে মাদ্রাসা সুপার আবু জাফর মো. ইকবাল বলেন, গণিতের পরীক্ষায় নির্দিষ্ট সময়ের ১০ মিনিট বিলম্বে অবজেক্টিভ পেপার সরবরাহ করায় যথাযথ ভাবে মেয়েরা তা উত্তরপত্র সম্পন্ন করতে পারেনি। যেকারণে বেশীর ভাগ মেয়েদের ফল খারাপ হয়েছে। শ্রেণি শিক্ষা পাঠদান কার্যক্রমে অনিয়মের অভিভাবকদের অভিযোগ প্রসঙ্গে সুপার জানান, শিক্ষক সংকটের কারণে আমাদেরকে জোড়াতালি দিয়ে অনেকদিন থেকে ক্লাশগুলো চালিয়ে যেতে হচ্ছে।