-ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাশে সড়কে দুই পাশে গাছের গুড়ি দিয়ে দখল করে রেখেছে গাছ ব্যবসায়ীরা।
গাছের গুড়িতে সড়ক দখলঃ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাশে সড়কে দুই পাশে গাছের গুড়ি দিয়ে দখল করে রেখেছে গাছ ব্যবসায়ীরা। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পথচারীরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। দ্রুত সড়কের দুই পাশে থাকা গাছের গুড়ি অপসারন না করলে ওই স্থানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করেন স্থানীরা। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার হাট কৃষ্ণপুরের চিতাখোলা এলাকার সাহা পাড়া থেকে কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রর্যন্ত ফরিদপুর-তাড়াইল গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দুই পাশে গাছের গুড়ি ফেলে দখল করে রেখেছে স্থানীয় গাছ ব্যবসায়ীরা। স্থানীরা জানান, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে ফরিদপুর-তাড়াইল সড়কে যানবাহন চলাচল বেড়েছে। সড়কের এই স্থানে গাছের গুড়ি রাখায় শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই সড়ক দিয়েই যাতায়াত করে, দুর্ঘটনা ঘটলে এর দ্বায় নিবে কে? বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আল মোজাহিদ জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল। তারা আমাদের কথা কর্ণপাত করছে না। আরও পড়ুনঃ ভাল কাজ করলে মূল্যায়ন ও সম্মান পাওয়া যায়ঃ -পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ ব্যাপারে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান মাহমুদ রাসেল বলেন, আমি নিজে বিদ্যালয়ে গিয়ে গাছ ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছিলাম। তারপর তারা কিছু গাছ সরিয়ে নিয়েছিল। বর্তমানে আবার গাছ রাখার ব্যাপারে আমি অবগত নই। স্কুলের পাশের ওই সড়কে গাছের গুড়ি রাখলে তাদের বিরুদ্ধে...
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাশে সড়কে দুই পাশে গাছের গুড়ি দিয়ে দখল করে রেখেছে গাছ ব্যবসায়ীরা। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পথচারীরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। দ্রুত সড়কের দুই পাশে থাকা গাছের গুড়ি অপসারন না করলে ওই স্থানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করেন স্থানীরা।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার হাট কৃষ্ণপুরের চিতাখোলা এলাকার সাহা পাড়া থেকে কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রর্যন্ত ফরিদপুর-তাড়াইল গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দুই পাশে গাছের গুড়ি ফেলে দখল করে রেখেছে স্থানীয় গাছ ব্যবসায়ীরা।
স্থানীরা জানান, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে ফরিদপুর-তাড়াইল সড়কে যানবাহন চলাচল বেড়েছে। সড়কের এই স্থানে গাছের গুড়ি রাখায় শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই সড়ক দিয়েই যাতায়াত করে, দুর্ঘটনা ঘটলে এর দ্বায় নিবে কে?
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আল মোজাহিদ জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল। তারা আমাদের কথা কর্ণপাত করছে না।
এ ব্যাপারে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান মাহমুদ রাসেল বলেন, আমি নিজে বিদ্যালয়ে গিয়ে গাছ ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছিলাম। তারপর তারা কিছু গাছ সরিয়ে নিয়েছিল। বর্তমানে আবার গাছ রাখার ব্যাপারে আমি অবগত নই। স্কুলের পাশের ওই সড়কে গাছের গুড়ি রাখলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।