ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কুষ্টিয়ায় আরো আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত-৮৬

কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন করোনায় ও ০ জন উপসর্গ নিয়ে মারা যান।

শুক্রবার  (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবদুল মোমেন, এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বৃহস্পতিবার  সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এদের মৃত্যু হয়েছে।

এ দিকে বর্তমানে কুষ্টিয়া জেনারেল  হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত ১৫৫ জন ও উপসর্গ নিয়ে ৩৪ জন, মোট ১৮৯ জন ভর্তি রয়েছেন।

জানা যায়,  গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮৬ জনের দেহে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে।  শনাক্তের হার ২২.৯৩% শতাংশ।  জেলায় এ পর্যন্ত করোনা পরীক্ষা করেছেন ৯৩ হাজার ৫ শত ৭৪ জন। এদের মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া গেছে ৮৮ হাজার ২ শত ১৬ জন।  জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৬ শত ৭৩ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ হাজার ৮০ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মারা গেছেন ৬৬০ জন।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ এস এম মুসা কবিরের বলেন , গ্রামে গ্রামে প্রশাসনের নজরদারি ও তদারকি আরও বাড়াতে হবে। উপসর্গ নিয়ে কেউ যেন বাড়িতে বসে না থাকেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করা ছাড়া মৃত্যুহার কমানো সম্ভব নয়। চিকিৎসা নিতে যত দেরি হবে, মৃত্যুর ঝুঁকি তত বাড়বে।

তিনি আরও  বলেন, সংক্রমণের হার কমানোর জন্য শতভাগ মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প পথ নেই। যত দ্রুত সম্ভব, গ্রামের বয়স্ক ব্যক্তিদের টিকা নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। কেননা মারা যাওয়া রোগীদের বেশির ভাগই গ্রাম থেকে আসা বয়স্ক নারী–পুরুষ।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে টাকার বিনিময়ে অযোগ্য ব্যক্তিকে টিসিবির ডিলার পুনঃনিয়োগের অভিযোগ

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়ায় আরো আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত-৮৬

আপডেট টাইম : ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১
ইসমাইল হোসেন বাবু, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ :

কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন করোনায় ও ০ জন উপসর্গ নিয়ে মারা যান।

শুক্রবার  (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবদুল মোমেন, এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বৃহস্পতিবার  সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এদের মৃত্যু হয়েছে।

এ দিকে বর্তমানে কুষ্টিয়া জেনারেল  হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত ১৫৫ জন ও উপসর্গ নিয়ে ৩৪ জন, মোট ১৮৯ জন ভর্তি রয়েছেন।

জানা যায়,  গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮৬ জনের দেহে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে।  শনাক্তের হার ২২.৯৩% শতাংশ।  জেলায় এ পর্যন্ত করোনা পরীক্ষা করেছেন ৯৩ হাজার ৫ শত ৭৪ জন। এদের মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া গেছে ৮৮ হাজার ২ শত ১৬ জন।  জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৬ শত ৭৩ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ হাজার ৮০ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মারা গেছেন ৬৬০ জন।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ এস এম মুসা কবিরের বলেন , গ্রামে গ্রামে প্রশাসনের নজরদারি ও তদারকি আরও বাড়াতে হবে। উপসর্গ নিয়ে কেউ যেন বাড়িতে বসে না থাকেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করা ছাড়া মৃত্যুহার কমানো সম্ভব নয়। চিকিৎসা নিতে যত দেরি হবে, মৃত্যুর ঝুঁকি তত বাড়বে।

তিনি আরও  বলেন, সংক্রমণের হার কমানোর জন্য শতভাগ মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প পথ নেই। যত দ্রুত সম্ভব, গ্রামের বয়স্ক ব্যক্তিদের টিকা নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। কেননা মারা যাওয়া রোগীদের বেশির ভাগই গ্রাম থেকে আসা বয়স্ক নারী–পুরুষ।