ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

উপজেলা থেকে জাতীয় মঞ্চে: স্বীকৃতির শিখরে সিরাজুল ইসলাম

মোঃ আরিফুল মিয়াঃ

 

মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষায় উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৪-এ “শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার” ক্যাটাগরিতে জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. সিরাজুল ইসলাম।

.

এর আগে তিনি ২০২৪ সালে ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হন। অতীতে তিনি ২০১৭ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী, ২০১৮ সালে মিরপুর এবং ২০১৯ সালে যশোর সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

.

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁর নেওয়া বিশেষ উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি, ঝরেপড়া রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসে না এসে ঘরে বসেই শিক্ষকদের ডিজিটাল সেবা গ্রহণ নিশ্চিতকরণ। এর ফলে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের উপস্থিতি বেড়েছে এবং শিক্ষার্থীদের শেখার মান উন্নত হয়েছে।
তিনি বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত তদারকি করেন এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নানা প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনী কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

.

নিজস্ব অনুভূতি প্রকাশ করে মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন: “এই অর্জন একক নয়—এটি মধুখালী উপজেলার প্রতিটি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করাটাই আমার দায়িত্ব—এই সম্মান আমাকে আরও উৎসাহিত করেছে। আমার লক্ষ্য, প্রতিটি শিশুর মুখে হাসি ফোটানো। তাদেরকে আনন্দময় পরিবেশে শেখার সুযোগ করে দেওয়া। আমি বিশ্বাস করি, সকলে মিলে কাজ করলে আমরা একটি আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবো।”

.

উল্লেখ্য, মো. সিরাজুল ইসলাম ২০১২ সালে ৩০তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি আইসিটি ও প্রশাসনিক দক্ষতায়ও তিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চা বানাতে গিয়ে দেখেন, রান্নাঘরে ফোঁস ফোঁস করছে ‘কিং কোবরা’

error: Content is protected !!

উপজেলা থেকে জাতীয় মঞ্চে: স্বীকৃতির শিখরে সিরাজুল ইসলাম

আপডেট টাইম : ১০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
মোঃ আরিফুল মিয়া, মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

মোঃ আরিফুল মিয়াঃ

 

মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষায় উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৪-এ “শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার” ক্যাটাগরিতে জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. সিরাজুল ইসলাম।

.

এর আগে তিনি ২০২৪ সালে ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হন। অতীতে তিনি ২০১৭ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী, ২০১৮ সালে মিরপুর এবং ২০১৯ সালে যশোর সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

.

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁর নেওয়া বিশেষ উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি, ঝরেপড়া রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসে না এসে ঘরে বসেই শিক্ষকদের ডিজিটাল সেবা গ্রহণ নিশ্চিতকরণ। এর ফলে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের উপস্থিতি বেড়েছে এবং শিক্ষার্থীদের শেখার মান উন্নত হয়েছে।
তিনি বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত তদারকি করেন এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নানা প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনী কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

.

নিজস্ব অনুভূতি প্রকাশ করে মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন: “এই অর্জন একক নয়—এটি মধুখালী উপজেলার প্রতিটি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করাটাই আমার দায়িত্ব—এই সম্মান আমাকে আরও উৎসাহিত করেছে। আমার লক্ষ্য, প্রতিটি শিশুর মুখে হাসি ফোটানো। তাদেরকে আনন্দময় পরিবেশে শেখার সুযোগ করে দেওয়া। আমি বিশ্বাস করি, সকলে মিলে কাজ করলে আমরা একটি আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবো।”

.

উল্লেখ্য, মো. সিরাজুল ইসলাম ২০১২ সালে ৩০তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি আইসিটি ও প্রশাসনিক দক্ষতায়ও তিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।