ঢাকা , বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

আলফাডাঙ্গায় ২৭৭ প্রতিমায় ব্যতিক্রমী দুর্গোৎসব, দর্শনার্থীদের ঢল

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

একই মন্দির প্রাঙ্গণে সারি সারি ২৭৭টি প্রতিমা। কোথাও দেবী দুর্গার নবদুর্গা রূপ, কোথাও মনসামঙ্গল কাব্যের বেহুলার উপাখ্যান। পৌরাণিক কাহিনি ও ধর্মীয় আখ্যানের শৈল্পিক উপস্থাপনায় ব্যতিক্রমী রূপ পেয়েছে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার কুসুমদি গ্রামের শ্রী শ্রী হরি মন্দিরের শারদীয় দুর্গোৎসব। প্রতিমার এমন বর্ণাঢ্য আয়োজন দেখতে ভিড় করছেন বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী। ফরিদপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসছেন মানুষ। আয়োজকদের দাবি, প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও ভক্তরা এ আয়োজন দেখতে আসছেন।

মঙ্গলবার রাতে সরেজমিনে দেখা যায়, মন্দির প্রাঙ্গণজুড়ে সারি সারি প্রতিমা সাজানো হয়েছে। প্রতিটি প্রতিমায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পৌরাণিক কাহিনি ও ধর্মীয় আখ্যানের নানা দৃশ্য। কোথাও দেবী দুর্গার বিভিন্ন রূপ, কোথাও মনসামঙ্গল কাব্যের বেহুলার উপাখ্যান। প্রতিমার নির্মাণশৈলী, সাজসজ্জা ও বৈচিত্র্যময় উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রতিমা ঘুরে দেখছেন, কেউ কেউ স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন। দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

মন্দির সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সাল থেকে এখানে দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়ে আসছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ আয়োজনের পরিসর বেড়েছে। গত বছর মন্দির প্রাঙ্গণে ২৫১টি প্রতিমা স্থাপন করা হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৭টিতে। প্রতিমার সংখ্যা ও বৈচিত্র্যের কারণে এ আয়োজন স্থানীয়ভাবে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে।

আয়োজকদের ভাষ্য, মনসামঙ্গল কাব্যের বেহুলার উপাখ্যান থেকে শুরু করে দেবী দুর্গার নবদুর্গা রূপসহ বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনি প্রতিমার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি শিল্প ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে দর্শনার্থীদের সামনে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

কাশিয়ানী উপজেলা থেকে আসা দর্শনার্থী দীপালী রানী বলেন, “শ্রী শ্রী হরি মন্দিরে একসঙ্গে এতগুলো প্রতিমা দেখে খুব ভালো লাগছে। প্রতিটি প্রতিমায় ভিন্ন ভিন্ন পৌরাণিক কাহিনি ও ধর্মীয় বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এমন সুন্দর আয়োজন দেখতে পেয়ে আমি আনন্দিত। পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে ঘুরে ঘুরে প্রতিমা দেখছি।”

মধুখালী উপজেলা থেকে আসা দর্শনার্থী বিনয় কুমার বলেন, “২৭৭টি প্রতিমার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন সত্যিই আকর্ষণীয়। প্রতিটি প্রতিমার নির্মাণশৈলী ও উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করছে। দূর থেকে এসেও এমন আয়োজন দেখতে পেরে ভালো লাগছে। ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকার মানুষের এই মিলনমেলা সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।”

আলফাডাঙ্গা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও আলফাডাঙ্গা সহকারী কলেজের প্রভাষক প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, “শ্রী শ্রী হরি মন্দিরের এ ব্যতিক্রমী আয়োজন আমাদের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২৭৭টি প্রতিমার মাধ্যমে পৌরাণিক কাহিনি ও ধর্মীয় আখ্যান তুলে ধরা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে। আমরা চাই, সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে দুর্গোৎসব আনন্দ, শান্তি ও সম্প্রীতির মিলনমেলায় পরিণত হোক।”

এ বছর ফরিদপুর জেলায় ৭৮১টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হচ্ছে। প্রশাসনের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, এর মধ্যে ১৪৭টি মণ্ডপ অতি গুরুত্বপূর্ণ, ২৪৭টি গুরুত্বপূর্ণ এবং অন্যগুলো সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলার অন্যান্য মণ্ডপের পাশাপাশি আলফাডাঙ্গার শ্রী শ্রী হরি মন্দিরের ব্যতিক্রমী আয়োজন দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগমকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারির পাশাপাশি প্রশাসনের তদারকি ও স্বেচ্ছাসেবকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। উৎসব নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল সরোয়ার বলেন, “শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে উৎসব উদযাপনে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সজাগ রয়েছে। সবার সহযোগিতায় দুর্গোৎসব আনন্দময় ও নির্বিঘ্ন হবে বলে আমরা আশাবাদী।”

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে যা বললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

error: Content is protected !!

আলফাডাঙ্গায় ২৭৭ প্রতিমায় ব্যতিক্রমী দুর্গোৎসব, দর্শনার্থীদের ঢল

আপডেট টাইম : ৫৬ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

একই মন্দির প্রাঙ্গণে সারি সারি ২৭৭টি প্রতিমা। কোথাও দেবী দুর্গার নবদুর্গা রূপ, কোথাও মনসামঙ্গল কাব্যের বেহুলার উপাখ্যান। পৌরাণিক কাহিনি ও ধর্মীয় আখ্যানের শৈল্পিক উপস্থাপনায় ব্যতিক্রমী রূপ পেয়েছে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার কুসুমদি গ্রামের শ্রী শ্রী হরি মন্দিরের শারদীয় দুর্গোৎসব। প্রতিমার এমন বর্ণাঢ্য আয়োজন দেখতে ভিড় করছেন বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী। ফরিদপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসছেন মানুষ। আয়োজকদের দাবি, প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও ভক্তরা এ আয়োজন দেখতে আসছেন।

মঙ্গলবার রাতে সরেজমিনে দেখা যায়, মন্দির প্রাঙ্গণজুড়ে সারি সারি প্রতিমা সাজানো হয়েছে। প্রতিটি প্রতিমায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পৌরাণিক কাহিনি ও ধর্মীয় আখ্যানের নানা দৃশ্য। কোথাও দেবী দুর্গার বিভিন্ন রূপ, কোথাও মনসামঙ্গল কাব্যের বেহুলার উপাখ্যান। প্রতিমার নির্মাণশৈলী, সাজসজ্জা ও বৈচিত্র্যময় উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রতিমা ঘুরে দেখছেন, কেউ কেউ স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন। দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

মন্দির সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সাল থেকে এখানে দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়ে আসছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ আয়োজনের পরিসর বেড়েছে। গত বছর মন্দির প্রাঙ্গণে ২৫১টি প্রতিমা স্থাপন করা হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৭টিতে। প্রতিমার সংখ্যা ও বৈচিত্র্যের কারণে এ আয়োজন স্থানীয়ভাবে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে।

আয়োজকদের ভাষ্য, মনসামঙ্গল কাব্যের বেহুলার উপাখ্যান থেকে শুরু করে দেবী দুর্গার নবদুর্গা রূপসহ বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনি প্রতিমার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি শিল্প ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে দর্শনার্থীদের সামনে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

কাশিয়ানী উপজেলা থেকে আসা দর্শনার্থী দীপালী রানী বলেন, “শ্রী শ্রী হরি মন্দিরে একসঙ্গে এতগুলো প্রতিমা দেখে খুব ভালো লাগছে। প্রতিটি প্রতিমায় ভিন্ন ভিন্ন পৌরাণিক কাহিনি ও ধর্মীয় বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এমন সুন্দর আয়োজন দেখতে পেয়ে আমি আনন্দিত। পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে ঘুরে ঘুরে প্রতিমা দেখছি।”

মধুখালী উপজেলা থেকে আসা দর্শনার্থী বিনয় কুমার বলেন, “২৭৭টি প্রতিমার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন সত্যিই আকর্ষণীয়। প্রতিটি প্রতিমার নির্মাণশৈলী ও উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করছে। দূর থেকে এসেও এমন আয়োজন দেখতে পেরে ভালো লাগছে। ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকার মানুষের এই মিলনমেলা সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।”

আলফাডাঙ্গা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও আলফাডাঙ্গা সহকারী কলেজের প্রভাষক প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, “শ্রী শ্রী হরি মন্দিরের এ ব্যতিক্রমী আয়োজন আমাদের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২৭৭টি প্রতিমার মাধ্যমে পৌরাণিক কাহিনি ও ধর্মীয় আখ্যান তুলে ধরা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে। আমরা চাই, সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে দুর্গোৎসব আনন্দ, শান্তি ও সম্প্রীতির মিলনমেলায় পরিণত হোক।”

এ বছর ফরিদপুর জেলায় ৭৮১টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হচ্ছে। প্রশাসনের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, এর মধ্যে ১৪৭টি মণ্ডপ অতি গুরুত্বপূর্ণ, ২৪৭টি গুরুত্বপূর্ণ এবং অন্যগুলো সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলার অন্যান্য মণ্ডপের পাশাপাশি আলফাডাঙ্গার শ্রী শ্রী হরি মন্দিরের ব্যতিক্রমী আয়োজন দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগমকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারির পাশাপাশি প্রশাসনের তদারকি ও স্বেচ্ছাসেবকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। উৎসব নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল সরোয়ার বলেন, “শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে উৎসব উদযাপনে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সজাগ রয়েছে। সবার সহযোগিতায় দুর্গোৎসব আনন্দময় ও নির্বিঘ্ন হবে বলে আমরা আশাবাদী।”