ঢাকা , বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে যা বললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ভারতের স্বার্থকে কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন করে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবে না যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগ নিয়ে নতুন দিল্লিতে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা প্রশমিত করতেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ওয়াশিংটনের এই অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় রুবিও বিগত সত্তরের দশকের নিক্সন-কিসিঞ্জার আমলের সঙ্গে বর্তমান মার্কিন নীতির তুলনা করার বিষয়টি নাকচ করে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং ভূরাজনীতি সেই সময়ের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। তৎকালীন স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন কূটনীতির সঙ্গে বর্তমান সময়ের গতিপ্রকৃতির কোনো মিল নেই বলে তিনি মনে করেন।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সম্পৃক্ততা প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্য কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মূল্যের ওপর প্রভাব ফেলবে না। ভারত সরকারের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন এই বিষয়টিকে কখনোই ভারসাম্যহীনভাবে দেখে না। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক চুক্তি এবং যৌথ উদ্যোগগুলোই এর বড় প্রমাণ বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রুবিও আরও যোগ করেন যে, ইসলামাবাদের সঙ্গে মার্কিন যোগাযোগ অনেক সময় দক্ষিণ এশিয়ায় সম্ভাব্য দ্বন্দ্ব এড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রয়োজনে জরুরি এবং এই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব। ভারত সফরকালে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের জটিলতা নিয়েও আলোচনা করেন এবং দীর্ঘমেয়াদি এই সংকটের দ্রুত কোনো সহজ সমাধান নেই বলে স্বীকার করেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরের এক কারখানা এবার বিশ্বের সেরা নতুন ভবন

error: Content is protected !!

ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে যা বললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ৪৯ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ভারতের স্বার্থকে কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন করে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবে না যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগ নিয়ে নতুন দিল্লিতে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা প্রশমিত করতেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ওয়াশিংটনের এই অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় রুবিও বিগত সত্তরের দশকের নিক্সন-কিসিঞ্জার আমলের সঙ্গে বর্তমান মার্কিন নীতির তুলনা করার বিষয়টি নাকচ করে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং ভূরাজনীতি সেই সময়ের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। তৎকালীন স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন কূটনীতির সঙ্গে বর্তমান সময়ের গতিপ্রকৃতির কোনো মিল নেই বলে তিনি মনে করেন।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সম্পৃক্ততা প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্য কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মূল্যের ওপর প্রভাব ফেলবে না। ভারত সরকারের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন এই বিষয়টিকে কখনোই ভারসাম্যহীনভাবে দেখে না। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক চুক্তি এবং যৌথ উদ্যোগগুলোই এর বড় প্রমাণ বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রুবিও আরও যোগ করেন যে, ইসলামাবাদের সঙ্গে মার্কিন যোগাযোগ অনেক সময় দক্ষিণ এশিয়ায় সম্ভাব্য দ্বন্দ্ব এড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রয়োজনে জরুরি এবং এই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব। ভারত সফরকালে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের জটিলতা নিয়েও আলোচনা করেন এবং দীর্ঘমেয়াদি এই সংকটের দ্রুত কোনো সহজ সমাধান নেই বলে স্বীকার করেন।