দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
৩৯
বার পঠিত
সদরপুরে পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
নুরুল ইসলামঃ ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার শয়তানখালী এলাকায় পদ্মা নদীর তীরবর্তী স্থানে অবৈধভাবে বালু ও মাটি কাটার দায়ে একজনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমান আদালত । গত বুধবার (২০ মে) আনুমানিক রাত ১১ টার দিকে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদরপুর উপজেলার শয়তানখালী নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ শাওন। অভিযান চলাকালে দেখা যায়, এক্সকেভেটর (ভেকু) ব্যবহার করে অবৈধভাবে বালু ও মাটি কর্তন করা হচ্ছে। মোবাইল কোর্টে অভিযুক্ত মোঃ হাসিবুল কাজী (১৯) কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তিনি মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার সন্ন্যাসীর চর এলাকার মোস্তাক কাজীর ছেলে। অবৈধভাবে মাটি ও বালু কাটার অপরাধে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী হাসিবুল কাজীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অভিযান চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক সহযোগিতায় নিয়োজিত ছিল সদরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এবং নদীর তীর রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
নুরুল ইসলামঃ
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার শয়তানখালী এলাকায় পদ্মা নদীর তীরবর্তী স্থানে অবৈধভাবে বালু ও মাটি কাটার দায়ে একজনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমান আদালত । গত বুধবার (২০ মে) আনুমানিক রাত ১১ টার দিকে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদরপুর উপজেলার শয়তানখালী নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ শাওন। অভিযান চলাকালে দেখা যায়, এক্সকেভেটর (ভেকু) ব্যবহার করে অবৈধভাবে বালু ও মাটি কর্তন করা হচ্ছে।
মোবাইল কোর্টে অভিযুক্ত মোঃ হাসিবুল কাজী (১৯) কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তিনি মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার সন্ন্যাসীর চর এলাকার মোস্তাক কাজীর ছেলে।
অবৈধভাবে মাটি ও বালু কাটার অপরাধে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী হাসিবুল কাজীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
অভিযান চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক সহযোগিতায় নিয়োজিত ছিল সদরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এবং নদীর তীর রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।