ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

লালপুরে এলএসডি মোকাবিলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

রাশিদুল ইসলাম রাশেদঃ

 

নাটোরের লালপুরে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল। মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) উপজেলার বুধিরামপুর গ্রামে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ২২টি গরুকে এলএসডি প্রতিরোধী টিকা ও ১১০টি ছাগলকে পিপিআর (PPR) প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়।

 

এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. আনন্দ কুমার অধিকারী, ডেপুটি চিফ এপিডেমিওলজিস্ট ডা. মো. মোখলেসুর রহমান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সেলিম উদ্দিন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল্লাহ্ উপস্থিত ছিলেন।

 

কর্মসূচির আওতায় খামারিদের মধ্যে বিনামূল্যে গরু ও ছাগলের কৃমিনাশক ওষুধ বিতরণের পাশাপাশি এলএসডি ও ক্ষুরারোগ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। কর্মকর্তারা খামারিদের নিয়মিত টিকাদান, খামারের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং আক্রান্ত পশুকে দ্রুত আলাদা রাখার পরামর্শ দেন।

 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে লালপুর উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার গরু এলএসডিতে আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রায় ৪০টি গরু মারা গেছে। রোগের বিস্তার রোধে এটি একটি বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। সরকারি উদ্যোগে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আরও ২৫ হাজার গরুকে এলএসডি প্রতিরোধী টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. আনন্দ কুমার অধিকারী বলেন, সময়মতো টিকাদান ও খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে এলএসডির সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি খামারিদের আর্থিক ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এমন উদ্যোগে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন কর্মসূচি আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন সেবা গ্রহীতারা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রথমবারের মতো মাঠে গড়াচ্ছে এক্সপ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ

error: Content is protected !!

লালপুরে এলএসডি মোকাবিলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

আপডেট টাইম : ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি :

রাশিদুল ইসলাম রাশেদঃ

 

নাটোরের লালপুরে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল। মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) উপজেলার বুধিরামপুর গ্রামে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ২২টি গরুকে এলএসডি প্রতিরোধী টিকা ও ১১০টি ছাগলকে পিপিআর (PPR) প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়।

 

এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. আনন্দ কুমার অধিকারী, ডেপুটি চিফ এপিডেমিওলজিস্ট ডা. মো. মোখলেসুর রহমান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সেলিম উদ্দিন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল্লাহ্ উপস্থিত ছিলেন।

 

কর্মসূচির আওতায় খামারিদের মধ্যে বিনামূল্যে গরু ও ছাগলের কৃমিনাশক ওষুধ বিতরণের পাশাপাশি এলএসডি ও ক্ষুরারোগ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। কর্মকর্তারা খামারিদের নিয়মিত টিকাদান, খামারের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং আক্রান্ত পশুকে দ্রুত আলাদা রাখার পরামর্শ দেন।

 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে লালপুর উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার গরু এলএসডিতে আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রায় ৪০টি গরু মারা গেছে। রোগের বিস্তার রোধে এটি একটি বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। সরকারি উদ্যোগে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আরও ২৫ হাজার গরুকে এলএসডি প্রতিরোধী টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. আনন্দ কুমার অধিকারী বলেন, সময়মতো টিকাদান ও খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে এলএসডির সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি খামারিদের আর্থিক ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এমন উদ্যোগে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন কর্মসূচি আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন সেবা গ্রহীতারা।