দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
১৩৮
বার পঠিত
বাঘায় ২০ হাজার মিটার জাল ও ৭কেজি মাছ জব্দ
আব্দুল হামিদ মিঞাঃ ইলিশ প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মায় মাছ ধরার অপরাধে রাজশাহীর বাঘায় বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) নদীতে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার মিটার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। নৌ পুলিশের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা মৎস্য অফিসার। এর আগে উপজেলা নির্বাহি অফিসার, সহকারি কমিশনার (ভুমি), থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার মিটার জাল ও ৭ কেজি মা ইলিশ জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। সুত্রে জানা যায়, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে আইন অমান্যকারিদের সশ্রম কারাদন্ড অথবা অর্থদন্ড অথবা উভয়দন্ডের বিধান রেখে ২২দিন (৪ থেকে ২৫ অক্টোবর) নদ, নদী ও সাগরে ইলিশ মাছ ধরা, পরিবহন, মজুদ ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ রয়েছে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তহুরা হক জানান, নিষেধাজ্ঞা মধ্যে মোট ১০টি অভিযান পরিচালনা করে ২০তম দিন পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ৭ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্যে ৫ লক্ষ টাকা। জব্দ জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয় ও ইলিশ মাছগুলো মাদ্রাসা-এতিমখানায় দেওয়া হয়েছে। কাউকে আটক ও দন্ড দেওয়া হয়নি। কিছু জেলে চুরি করে মাছ ধরে বিক্রি করছে। তার দাবি, এবার কমসংখ্যক জেলে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ শিকারে নেমেছে। কাউকে আটক ও জরিমানা করা যায়নি।
আব্দুল হামিদ মিঞাঃ
ইলিশ প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মায় মাছ ধরার অপরাধে রাজশাহীর বাঘায় বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) নদীতে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার মিটার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।
নৌ পুলিশের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা মৎস্য অফিসার। এর আগে উপজেলা নির্বাহি অফিসার, সহকারি কমিশনার (ভুমি), থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার মিটার জাল ও ৭ কেজি মা ইলিশ জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর।
সুত্রে জানা যায়, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে আইন অমান্যকারিদের সশ্রম কারাদন্ড অথবা অর্থদন্ড অথবা উভয়দন্ডের বিধান রেখে ২২দিন (৪ থেকে ২৫ অক্টোবর) নদ, নদী ও সাগরে ইলিশ মাছ ধরা, পরিবহন, মজুদ ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ রয়েছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তহুরা হক জানান, নিষেধাজ্ঞা মধ্যে মোট ১০টি অভিযান পরিচালনা করে ২০তম দিন পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ৭ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্যে ৫ লক্ষ টাকা।
জব্দ জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয় ও ইলিশ মাছগুলো মাদ্রাসা-এতিমখানায় দেওয়া হয়েছে। কাউকে আটক ও দন্ড দেওয়া হয়নি। কিছু জেলে চুরি করে মাছ ধরে বিক্রি করছে। তার দাবি, এবার কমসংখ্যক জেলে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ শিকারে নেমেছে। কাউকে আটক ও জরিমানা করা যায়নি।