ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

সদরপুরে রমজানের শুরুতে সব্জি ও ফলের দাম আকাশচুম্বী, দেখার কেউ নেই

মোঃ নুরুল ইসলামঃ

 

ফরিদপুরের সদরপুরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে মাহে রমজানের পঞ্চম দিনেও প্রচুর সরবরাহ থাকা সত্বেও লেবু, শসাসহ বিভিন্ন প্রকার ফলের দাম আকাশচুম্বী। নিম্ন আয়ের রোজাদাররা কার্যত অসহায় হয়ে পড়েছে। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে বিরাট ফারাক। ইফতারে বাহারি আইটেম না হোক, অন্তত একগ্লাস লেবুর সরবত করে খাওয়ার অবস্থা নেই কারও। দোকানীরা যে যেভাবে দাম হাকাচ্ছে, ক্রেতারা সেই দামেই কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। নেই প্রশাসনের নজরদারি, নেই ভোক্তা কমিটির তৎপরতা।

 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সদরপুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, লেবু বড় ১০০ টাকা হালি, ছোট ৮০ টাকা হালি। বেগুন ১০০ টাকা কেজি, শসা ১০০ টাকা কেজি, ছোলা ৯০ টাকা কেজি। খেজুর জাত প্রতি ২৫০ টাকা থেকে ২২০০ টাকা পর্যন্ত। কালো আঙ্গুর ৫৪০, সাদা আঙ্গুর ৪৪০, কমলা ৩৫০, মাল্টা ৩২০, আপেল ৩৫০, আনার ৫৫০, স্ট্রবেরি ১০০০ , বরই ১২০ টাকা কেজি।

 

জরিপের ডাঙ্গীর হালিমা বেগম দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধিকে জানান, একগ্লাস লেবুর শরবত আর দুইডা খেজুর দিয়া ইফতার করমু সেই অবস্থা নাই। খেজুর কিনতে গেলে টাকা শেষ হয়ে যায়, অন্য জিনিস কিনতে পারি না। রোজা আইলেই সব জিনিসের দাম বাড়ে। রিকশা চালক বাবুল বলেন, কেউ দান খয়রাত না করলে কিনে খাওয়ার মত সাধ্য আমাদের নেই।

 

বাজারের ফল ব্যবসায়ী লাবলু সংবাদকর্মীদের বলেন, রমজান শুরু হওয়ার আগেই মালের ঘাটতি দেখিয়ে আড়ত থেকে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতি আইটেমে কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আমরা সামান্য লাভে বিক্রয় করি। আরেক ফল ব্যবসায়ী সাজ্জাদও একই কথা বলেন। সবজি ব্যবসায়ী রনি বলেন, রমজানের শুরুতেই পাইকাররা লেবু ও শসার দাম বাড়িয়েছে।

 

তবে বাজার দর নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরদারি বা ভোক্তা অধিকার কমিটির কোন তৎপরতা দেখা গেল না। সচেতন মহলের অভিমত, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাজার দর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়াটা শুভ লক্ষণ নয়। সরকারের উচিৎ সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়া এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে তদারকি বাড়ানো।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্টে জরিমানা আদায়

error: Content is protected !!

সদরপুরে রমজানের শুরুতে সব্জি ও ফলের দাম আকাশচুম্বী, দেখার কেউ নেই

আপডেট টাইম : ৯ ঘন্টা আগে
মোঃ নুরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার :

মোঃ নুরুল ইসলামঃ

 

ফরিদপুরের সদরপুরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে মাহে রমজানের পঞ্চম দিনেও প্রচুর সরবরাহ থাকা সত্বেও লেবু, শসাসহ বিভিন্ন প্রকার ফলের দাম আকাশচুম্বী। নিম্ন আয়ের রোজাদাররা কার্যত অসহায় হয়ে পড়েছে। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে বিরাট ফারাক। ইফতারে বাহারি আইটেম না হোক, অন্তত একগ্লাস লেবুর সরবত করে খাওয়ার অবস্থা নেই কারও। দোকানীরা যে যেভাবে দাম হাকাচ্ছে, ক্রেতারা সেই দামেই কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। নেই প্রশাসনের নজরদারি, নেই ভোক্তা কমিটির তৎপরতা।

 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সদরপুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, লেবু বড় ১০০ টাকা হালি, ছোট ৮০ টাকা হালি। বেগুন ১০০ টাকা কেজি, শসা ১০০ টাকা কেজি, ছোলা ৯০ টাকা কেজি। খেজুর জাত প্রতি ২৫০ টাকা থেকে ২২০০ টাকা পর্যন্ত। কালো আঙ্গুর ৫৪০, সাদা আঙ্গুর ৪৪০, কমলা ৩৫০, মাল্টা ৩২০, আপেল ৩৫০, আনার ৫৫০, স্ট্রবেরি ১০০০ , বরই ১২০ টাকা কেজি।

 

জরিপের ডাঙ্গীর হালিমা বেগম দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধিকে জানান, একগ্লাস লেবুর শরবত আর দুইডা খেজুর দিয়া ইফতার করমু সেই অবস্থা নাই। খেজুর কিনতে গেলে টাকা শেষ হয়ে যায়, অন্য জিনিস কিনতে পারি না। রোজা আইলেই সব জিনিসের দাম বাড়ে। রিকশা চালক বাবুল বলেন, কেউ দান খয়রাত না করলে কিনে খাওয়ার মত সাধ্য আমাদের নেই।

 

বাজারের ফল ব্যবসায়ী লাবলু সংবাদকর্মীদের বলেন, রমজান শুরু হওয়ার আগেই মালের ঘাটতি দেখিয়ে আড়ত থেকে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতি আইটেমে কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আমরা সামান্য লাভে বিক্রয় করি। আরেক ফল ব্যবসায়ী সাজ্জাদও একই কথা বলেন। সবজি ব্যবসায়ী রনি বলেন, রমজানের শুরুতেই পাইকাররা লেবু ও শসার দাম বাড়িয়েছে।

 

তবে বাজার দর নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরদারি বা ভোক্তা অধিকার কমিটির কোন তৎপরতা দেখা গেল না। সচেতন মহলের অভিমত, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাজার দর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়াটা শুভ লক্ষণ নয়। সরকারের উচিৎ সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়া এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে তদারকি বাড়ানো।


প্রিন্ট