ঢাকা , শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

শরিফ উদ্দিনকে টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই

আলিফ হোসেনঃ

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক সহাবস্থানের প্রবর্তক, সৎ রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতিকৃতি ও বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী,শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব,উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাই মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই, রাজশাহী অঞ্চলের দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ।

 

পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, পারিবারিক ঐতিহ্য-সামাজিক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, কর্মীবাহিনী, রাজনৈতিক দূরর্শীতা, সাংগঠনিক তৎপরতা, আদর্শিক ও বিশ্বস্ততা নেতৃত্ব হিসেবে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও টেকনোক্রেট মন্ত্রী হবার মতো সব ধরণের যোগ্যতা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দলের ভিতর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, প্রতিহিংসা ও গুজবের বহু অন্ধকার গলিতেও তিনি পথ হারাননি এবং গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।

 

নিজস্ব স্বকীয়তা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন অমায়িক ব্যবহার ও প্রচণ্ড সাহসী নেতৃত্বের লৌহমানব এই মানুষটি ছাত্র রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করে ধীরে ধীরে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার পুরুষে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ তাতে তিনি না চাইলেও এই অঞ্চলের মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে, এখানে তার কোনো বিকল্প নাই। কারণ সাধারণ মানুষের নিখাদ ভালবাসার চেয়ে বড় কোন শক্তি নাই। তাকে টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই এসব মানুষ এটা এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের জীবদ্দশায় তার মুল্য যেমন বুজতে পারেনি এঅঞ্চলের মানুষ,তেমনি মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের মুল্য বুঝতে পারেনি।যদিও সাধারণ মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে গ্রহণ করেছেন।কিন্ত্ত দলের ভেতরের কিছু বিপদগামী উচ্চাভিলাষী প্রাষাদ ষড়যন্ত্র করে তাকে নির্বাচনে বিজয়ী হতে দিলো না।এছাড়াও এদের সঙ্গে যুক্ত ছিলো মাদক সিন্ডিকেট চক্র, যে চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে একশ্রেণীর শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ,চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।

দেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ মাদকপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত গোদাগাড়ী। কিন্ত্ত শরিফ উদ্দিন গোদাগাড়ী ও তানোরকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এই চক্র শরিফ উদ্দিনের বিজয় ঠেকাতে বিপুল অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করছেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছেন।তাদের ঐক্যবদ্ধ কুটকৌশল ও ষড়যন্ত্রে বিএনপির দুর্গে বিএনপি হারলো।

 

অন্যদিকে কিছু উচ্চাভিলাষীর ধারণা এখানে শরিফ উদ্দিনের পরাজয় হলে আগামিতে তাদের ভাগ্য খুলবে এবং বিএনপিতে ব্যারিস্টার পরিবারের একচ্ছত্র আধিপত্যর অবসান হবে, এই আশায় তারা তাদের অনুগতদের নিয়ে গেম খেলেছে। কিন্ত্ত এরা রাজনৈতিক অর্বাচীন, এক শরিফ না থাকলে ব্যারিস্টার পরিবারে আরো অসংখ্য শরিফ রয়েছেন যারা যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতিতে এমপি নির্বাচন করার সক্ষমতা রাখে।তাই তারা যে আশা নিয়ে গেম খেলেছেন তাদের সে আশা কখানোই পুরুণ হবে না।

এদিকে অভিজ্ঞ মহল বলছে, শরিফ উদ্দিনের সামরিক অভিজ্ঞতা বা দুরদর্শিতা দেশের কাজে লাগাতে তাকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বা টেকনোক্রেট মন্ত্রী করা হোক। এতে বিএনপির দুর্গ রক্ষার পাশাপাশি এসব ষড়যন্ত্রকারিদের স্বপ্ন পুরুণ ব্যর্থ, মাদকপ্রবণ গোদাগাড়ীর মাদক সিন্ডিকেট ধ্বংস এবং প্রয়াত ব্যারিস্টারের অসমাপ্ত উন্নয়ন উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হবে।অন্যদিকে প্রমাণ হবে ব্যারিস্টার পরিবারের বিপক্ষে অবস্থান নেয়া সঠিক হয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা বিএনপির এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন,এরকম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজের নেতৃত্ব পাওয়া ভাগ্যর ব্যাপার।কিন্ত্ত দলের ভেতরের কিছু ষড়যন্ত্রকারি ও মাদক সিন্ডিকেটের কারণে তীরে এসে তৈরী ডুবেছে। এতে অন্ধের দেশে আয়না বিক্রির গল্প মনে পড়ে যায়। রাজনৈতিক অঙ্গনে বির্তকিত নেতৃত্বের অবসান ঘটিয়ে আদর্শিক,পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত্ব নেতৃত্ব শরিফ উদ্দিনকে স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। রাজশাহী অঞ্চলে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি শরিফ উদ্দিন যেকোনো রাজনৈতিক দলের কাছে একটি বিশাল সম্পদ তায় তারা এই সম্পদ ধরে রাখতে আগামি দিনে তাকে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও টেকনোক্রেট মন্ত্রী করার জন্য দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন করছেন।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি জয়নুল আবেদিন ফারুকের সহধর্মিনী আর নেই

error: Content is protected !!

শরিফ উদ্দিনকে টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই

আপডেট টাইম : ২০ ঘন্টা আগে
আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

আলিফ হোসেনঃ

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক সহাবস্থানের প্রবর্তক, সৎ রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতিকৃতি ও বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী,শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব,উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাই মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই, রাজশাহী অঞ্চলের দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ।

 

পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, পারিবারিক ঐতিহ্য-সামাজিক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, কর্মীবাহিনী, রাজনৈতিক দূরর্শীতা, সাংগঠনিক তৎপরতা, আদর্শিক ও বিশ্বস্ততা নেতৃত্ব হিসেবে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও টেকনোক্রেট মন্ত্রী হবার মতো সব ধরণের যোগ্যতা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দলের ভিতর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, প্রতিহিংসা ও গুজবের বহু অন্ধকার গলিতেও তিনি পথ হারাননি এবং গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।

 

নিজস্ব স্বকীয়তা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন অমায়িক ব্যবহার ও প্রচণ্ড সাহসী নেতৃত্বের লৌহমানব এই মানুষটি ছাত্র রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করে ধীরে ধীরে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার পুরুষে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ তাতে তিনি না চাইলেও এই অঞ্চলের মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে, এখানে তার কোনো বিকল্প নাই। কারণ সাধারণ মানুষের নিখাদ ভালবাসার চেয়ে বড় কোন শক্তি নাই। তাকে টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই এসব মানুষ এটা এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের জীবদ্দশায় তার মুল্য যেমন বুজতে পারেনি এঅঞ্চলের মানুষ,তেমনি মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের মুল্য বুঝতে পারেনি।যদিও সাধারণ মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে গ্রহণ করেছেন।কিন্ত্ত দলের ভেতরের কিছু বিপদগামী উচ্চাভিলাষী প্রাষাদ ষড়যন্ত্র করে তাকে নির্বাচনে বিজয়ী হতে দিলো না।এছাড়াও এদের সঙ্গে যুক্ত ছিলো মাদক সিন্ডিকেট চক্র, যে চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে একশ্রেণীর শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ,চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।

দেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ মাদকপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত গোদাগাড়ী। কিন্ত্ত শরিফ উদ্দিন গোদাগাড়ী ও তানোরকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এই চক্র শরিফ উদ্দিনের বিজয় ঠেকাতে বিপুল অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করছেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছেন।তাদের ঐক্যবদ্ধ কুটকৌশল ও ষড়যন্ত্রে বিএনপির দুর্গে বিএনপি হারলো।

 

অন্যদিকে কিছু উচ্চাভিলাষীর ধারণা এখানে শরিফ উদ্দিনের পরাজয় হলে আগামিতে তাদের ভাগ্য খুলবে এবং বিএনপিতে ব্যারিস্টার পরিবারের একচ্ছত্র আধিপত্যর অবসান হবে, এই আশায় তারা তাদের অনুগতদের নিয়ে গেম খেলেছে। কিন্ত্ত এরা রাজনৈতিক অর্বাচীন, এক শরিফ না থাকলে ব্যারিস্টার পরিবারে আরো অসংখ্য শরিফ রয়েছেন যারা যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতিতে এমপি নির্বাচন করার সক্ষমতা রাখে।তাই তারা যে আশা নিয়ে গেম খেলেছেন তাদের সে আশা কখানোই পুরুণ হবে না।

এদিকে অভিজ্ঞ মহল বলছে, শরিফ উদ্দিনের সামরিক অভিজ্ঞতা বা দুরদর্শিতা দেশের কাজে লাগাতে তাকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বা টেকনোক্রেট মন্ত্রী করা হোক। এতে বিএনপির দুর্গ রক্ষার পাশাপাশি এসব ষড়যন্ত্রকারিদের স্বপ্ন পুরুণ ব্যর্থ, মাদকপ্রবণ গোদাগাড়ীর মাদক সিন্ডিকেট ধ্বংস এবং প্রয়াত ব্যারিস্টারের অসমাপ্ত উন্নয়ন উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হবে।অন্যদিকে প্রমাণ হবে ব্যারিস্টার পরিবারের বিপক্ষে অবস্থান নেয়া সঠিক হয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা বিএনপির এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন,এরকম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজের নেতৃত্ব পাওয়া ভাগ্যর ব্যাপার।কিন্ত্ত দলের ভেতরের কিছু ষড়যন্ত্রকারি ও মাদক সিন্ডিকেটের কারণে তীরে এসে তৈরী ডুবেছে। এতে অন্ধের দেশে আয়না বিক্রির গল্প মনে পড়ে যায়। রাজনৈতিক অঙ্গনে বির্তকিত নেতৃত্বের অবসান ঘটিয়ে আদর্শিক,পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত্ব নেতৃত্ব শরিফ উদ্দিনকে স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। রাজশাহী অঞ্চলে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি শরিফ উদ্দিন যেকোনো রাজনৈতিক দলের কাছে একটি বিশাল সম্পদ তায় তারা এই সম্পদ ধরে রাখতে আগামি দিনে তাকে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও টেকনোক্রেট মন্ত্রী করার জন্য দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন করছেন।


প্রিন্ট