ঢাকা , শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

রংপুরে স্কুলে যাওয়ার পথে শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক শাহজাহানকে গাছে বেঁধে গণধোলাই

মোঃ নাঈম ইসলামঃ

 

রংপুর সদর উপজেলার ৪নং সদ্যপুস্করণী ইউনিয়নে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৭) জুসের সাথে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে পৈশাচিক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত শাহাজাহান ওরফে ভ্যালসাকে (২৫) হাতেনাতে ধরে গাছের সাথে বেঁধে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ইউনিয়নের জয়রাম গ্রামে এই লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত শাহাজাহান ওও গ্রামের নালু মিয়ার ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে শিশুটি যখন স্কুলে যাচ্ছিল, তখন শাহাজাহান তাকে একা পেয়ে পাশে ডেকে নিয়ে যায়। কৌশলে শিশুটিকে একটি জুস কিনে দেয় সে, যার মধ্যে আগে থেকেই ঘুমের ওষুধ মেশানো ছিল। জুস খাওয়ার পর শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে শাহাজাহান তাকে স্কুলের পেছনে নির্জন জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

 

একপর্যায়ে শিশুটি গুরুতর আহত অবস্থায় জ্ঞান ফিরে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে শাহাজাহান পালানোর চেষ্টা করে। চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

ঘটনার পরপরই উত্তেজিত এলাকাবাসী ধাওয়া করে শাহাজাহানকে ধরে ফেলে। পরে তাকে জয়রাম গ্রামের একটি গাছের সাথে বেঁধে গণধোলাই দেওয়া হয়। খবর পেয়ে লাহেরীরহাট পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

 

এ বিষয়ে নির্যাতিতা শিশুর এক নিকটাত্মীয় কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “এই শাহাজাহান হলো গ্রামের ভাইরাস, দেশের ভাইরাস। সে ৭ বছরের শিশুকে রেহাই দিলো না! আমরা ওর ফাঁসি চাই। আজ ও বড় কোনো শাস্তি না পেলে কাল অন্য কোনো বাচ্চার ওপর হাত দেবে। স্কুলে বাচ্চাদের পাঠিয়েও আমরা শান্তিতে থাকতে পারছি না।”

 

এলাকাবাসীর দাবি, এ ধরনের নরপশুর একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিত ফাঁসি। পুলিশ যদি যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়, তবে তারা আইন নিজেদের হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি জয়নুল আবেদিন ফারুকের সহধর্মিনী আর নেই

error: Content is protected !!

রংপুরে স্কুলে যাওয়ার পথে শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক শাহজাহানকে গাছে বেঁধে গণধোলাই

আপডেট টাইম : ১৯ ঘন্টা আগে
নাঈমুল ইসলাম, রংপুর সদর (রংপুর) প্রতিনিধি :

মোঃ নাঈম ইসলামঃ

 

রংপুর সদর উপজেলার ৪নং সদ্যপুস্করণী ইউনিয়নে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৭) জুসের সাথে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে পৈশাচিক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত শাহাজাহান ওরফে ভ্যালসাকে (২৫) হাতেনাতে ধরে গাছের সাথে বেঁধে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ইউনিয়নের জয়রাম গ্রামে এই লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত শাহাজাহান ওও গ্রামের নালু মিয়ার ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে শিশুটি যখন স্কুলে যাচ্ছিল, তখন শাহাজাহান তাকে একা পেয়ে পাশে ডেকে নিয়ে যায়। কৌশলে শিশুটিকে একটি জুস কিনে দেয় সে, যার মধ্যে আগে থেকেই ঘুমের ওষুধ মেশানো ছিল। জুস খাওয়ার পর শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে শাহাজাহান তাকে স্কুলের পেছনে নির্জন জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

 

একপর্যায়ে শিশুটি গুরুতর আহত অবস্থায় জ্ঞান ফিরে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে শাহাজাহান পালানোর চেষ্টা করে। চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

ঘটনার পরপরই উত্তেজিত এলাকাবাসী ধাওয়া করে শাহাজাহানকে ধরে ফেলে। পরে তাকে জয়রাম গ্রামের একটি গাছের সাথে বেঁধে গণধোলাই দেওয়া হয়। খবর পেয়ে লাহেরীরহাট পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

 

এ বিষয়ে নির্যাতিতা শিশুর এক নিকটাত্মীয় কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “এই শাহাজাহান হলো গ্রামের ভাইরাস, দেশের ভাইরাস। সে ৭ বছরের শিশুকে রেহাই দিলো না! আমরা ওর ফাঁসি চাই। আজ ও বড় কোনো শাস্তি না পেলে কাল অন্য কোনো বাচ্চার ওপর হাত দেবে। স্কুলে বাচ্চাদের পাঠিয়েও আমরা শান্তিতে থাকতে পারছি না।”

 

এলাকাবাসীর দাবি, এ ধরনের নরপশুর একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিত ফাঁসি। পুলিশ যদি যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়, তবে তারা আইন নিজেদের হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।


প্রিন্ট