আব্দুল হামিদ মিঞাঃ
এবার উসব মূখর পরিবেশে ছেলের সাথে কেন্দ্রে এসে ভোট দিয়েছেন ১১৫ বছর বয়সের এছাহক আলী। বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের পীরগাছা সরকার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা এছাহক আলী রাজশাহী- ৬ (চারঘাট -বাঘা) আসনের ভোটার।
বৃহসতিবার(১২-০২-২০২৬) দুপুর ৩টায় তেথুলিয়া উ”চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ছেলে আজগর আলীর সাখে এসে ভোট দেন এছাহক আলী । বাজুবাঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রথম ভোট দিতে আসেন তেপুকুরিয়া গ্রামের মিজানুর রহমান,মৌসুমি আমোদপুর গ্রামের নুপুর খাতুন। সকাল ১১ টায় তাদের সাথে কথা হলে তারা জানান,সুষ্ট সুন্দর পরিবেশে জীবনের প্রথম ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে।
দুই ঘন্টা ধরে লাইনে দাড়িয়েও ভোট দিতে পারেননি শরিফাবাদ মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা ফতিদিয়াড় গ্রামের তহুরা রাজিয়া,চক বাউসার আমেনা,রফিজান । সকাল সাড়ে ১১টায় ওই কেন্দ্রে কথা হলে আমেনা,রফিজান জানান,এই ভোটের আগে হাসিনার আমলে ভোট দিয়েছি কিন্তু এতো সময় লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হয়নি। সকালে ভোট দিয়ে বাড়ি গিয়ে সংসারের কাজ করবেন বলে সকালে ভোট দিতে আসেন তারা।
ভোট শুরুর পর থেকে ওই সব কেন্দ্র ছাড়াও বাঘা উ”চ বিদ্যালয়,বাঘা হযরত আব্দুল হামিদ দানিশ মন্দ ফাজিল মাদ্রাসা, আড়ানি মনোমোহনী সরকারি উ”চ বিদ্যালয়,আড়ানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাঝপাাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে নারি-পুুরুষের স্বতঃফূর্ত অংশগ্রহন।
সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগহণ শুরুতেই বিশেষ করে নারী ভোটাররা তাদের ভোট প্রদানের জন্য লাইনে দাঁড়ান। দুপুরের পর বাড়তে থাকে পুরুষ ভোটারের উপস্থিতি। কমতে থাকে নারি ভোটারের উপস্থিতি।
বিকাল সোয়া ৩ টায় কথা হলে দিঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার নূর আলম জানান, তার কেন্দ্রে ভোট কাস্ট হয়েছে ৫০ শতাংশের বেশি। মোট ভোটার ছিল ৩১৮২। এর মধ্যে নারি ভোটার ১৬৫৫।
এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চার জন। কেন্দ্রে ঘুরে ও প্রিজাইডিং অফিসারের সাথে কথা বলে জানা গেছে , বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবু সাইদ চাঁদ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাড়ি পাল্লা প্রতীকের নাজমুল হক এর সব কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট ছিল। দু’একটি কেন্দ্র ছাড়া অপর দুই প্রার্থী জাতীয় পাটির লাঙ্গল প্রতীকের ইকবাল হোসেন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুস সালাম সুরুজ ভোটকক্ষে কোন পোলিং এজেন্ট দিতে পারেননি।
সাংগঠনিকভাবে দুর্বল রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ায় তাদের এই সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তারা নতুন ভোটারদের কাছেও অপরিচিত। বিকাল সাড়ে ৫টায় কথা হলে বাঘা উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও সহকারি রিটানিং অফিসার শাম্মী আক্তার জানান,তার উপজেলায় আনুমানিক ৭৩/৭৪ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। তবে চ’ড়ান্ত ঘননায় কম বেশি হতে পারে।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার 
আব্দুল হামিদ মিঞা, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি 




















