ঢাকা , সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

৩৬০ বোতল উদ্ধার, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

ভেড়ামারায় হোমিওপ্যাথিক ওষুধের আড়ালে ভারতীয় মদের কারবার

ইস্রাফিল হোসেন ইমন:

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিক্রির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় মদ (অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়) বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

 

৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাত ৯টার সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহারের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পৌরসভার ০৮ নং ওয়ার্ডের কাঠেরপুল এলাকার ‘হালিমা হোমিও হল’ থেকে ৩৬০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়, যা হোমিওপ্যাথিক ওষুধের বোতলের ভেতরে মেশানো ছিল।

 

এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের মালিক শ্যামলী পারভীন (৪৫)-কে তাৎক্ষণিক আটক করে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ৯টায় ভেড়ামারা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহারের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা হালিমা হোমিও হলে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় হোমিওপ্যাথি ওষুধের বোতলের ভেতরে ভারতীয় মদ মেশানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত মদের পরিমাণ ছিল ৩৬০ বোতল।

 

প্রতিষ্ঠানের মালিক উপজেলার সাতবাড়ীয়া গ্রামের মৃত আনছার আলীর মেয়ে শ্যামলী পারভীন অভিযানের সময় তার অপরাধ স্বীকার করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হোমিওপ্যাথিক ওষুধের নামে এসব অবৈধ অ্যালকোহলযুক্ত পণ্য বিক্রি করে আসছিলেন বলে জানান।

 

অভিযান শেষে জরিমানা আদায়ের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এ ধরনের কারবার যুবসমাজের মধ্যে মাদকাসক্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে। তারা বলেন, RHUS-TOX 30-এর মতো হোমিও ওষুধের লেবেল ব্যবহার করে সহজেই এসব পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে, যা বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষ ও যুবকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

 

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার জানান, জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এটি অবৈধ মদ চোরাচালান ও বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের অংশ।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ধানের শীষ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতীকঃ -মিলন

error: Content is protected !!

৩৬০ বোতল উদ্ধার, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

ভেড়ামারায় হোমিওপ্যাথিক ওষুধের আড়ালে ভারতীয় মদের কারবার

আপডেট টাইম : ২০ ঘন্টা আগে
ইস্রাফিল হোসেন ইমন, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি :

ইস্রাফিল হোসেন ইমন:

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিক্রির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় মদ (অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়) বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

 

৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাত ৯টার সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহারের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পৌরসভার ০৮ নং ওয়ার্ডের কাঠেরপুল এলাকার ‘হালিমা হোমিও হল’ থেকে ৩৬০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়, যা হোমিওপ্যাথিক ওষুধের বোতলের ভেতরে মেশানো ছিল।

 

এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের মালিক শ্যামলী পারভীন (৪৫)-কে তাৎক্ষণিক আটক করে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ৯টায় ভেড়ামারা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহারের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা হালিমা হোমিও হলে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় হোমিওপ্যাথি ওষুধের বোতলের ভেতরে ভারতীয় মদ মেশানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত মদের পরিমাণ ছিল ৩৬০ বোতল।

 

প্রতিষ্ঠানের মালিক উপজেলার সাতবাড়ীয়া গ্রামের মৃত আনছার আলীর মেয়ে শ্যামলী পারভীন অভিযানের সময় তার অপরাধ স্বীকার করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হোমিওপ্যাথিক ওষুধের নামে এসব অবৈধ অ্যালকোহলযুক্ত পণ্য বিক্রি করে আসছিলেন বলে জানান।

 

অভিযান শেষে জরিমানা আদায়ের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এ ধরনের কারবার যুবসমাজের মধ্যে মাদকাসক্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে। তারা বলেন, RHUS-TOX 30-এর মতো হোমিও ওষুধের লেবেল ব্যবহার করে সহজেই এসব পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে, যা বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষ ও যুবকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

 

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার জানান, জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এটি অবৈধ মদ চোরাচালান ও বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের অংশ।


প্রিন্ট