ঢাকা , রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে Logo মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু Logo মধুখালীতে দোয়া মাহফিল ও গণমাধ্যম কর্মিদের সাথে মতবিনিময় Logo বাঘায় মুক্তিযোদ্ধার সাথে সংসদ সদস্য প্রার্থী চাঁদের মতবিনিময় Logo শিবগঞ্জে চোখ উপড়ে পাহারাদারকে হত্যা Logo মধুখালীতে সাংবাদিক সাগর চক্রবর্তীর মোটরসাইকেল চুরি Logo বালিয়াকান্দিতে মোবাইলকোট পরিচালনায় দুই ট্রলি চালককে জরিমানা  Logo বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য পালশা ডে নাইট শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

রাজশাহীর পুঠিয়া ভুমি অফিস রোল মডেল

আলিফ হোসেনঃ

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা ভূমি অফিসে সেবা প্রত্যাশীদের হয়রানি ও দুর্ভোগ কমেছে একই সঙ্গে বেড়েছে সেবার গতি ও মান। উপজেলা ভূমি অফিসে দ্রুততার সঙ্গে সেবা মেলায় খুশি সাধারণ মানুষ। শুধু তাই নয় অফিসের বাহ্যিক চাকচিক্যময় পরিবেশের সঙ্গে ভেতরেও হয়রানি মুক্ত দ্রত গতির কাজ অন্যদের কাছে এই অফিস মডেল হয়ে উঠেছে। উপজেলা ভূমি অফিসের ভেতর-বাইরে এমন ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিবু দাশ সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে গোদাগাড়ী উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই ভূমি কর (রাজস্ব) আদায়ের পাশাপাশি অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক নামজারি কেস নিষ্পত্তি করে সাধারণ মানুষের কাছে থেকে ব্যাপক প্রশংসা ও ভালবাসা পেয়েছেন। অথচ একটা সময় যেখানে নিজের জমি খারিজ করতে সময় লেগে যেতো ১০ মাস থেকে এক বছর। সেই খারিজ সম্পন্ন করতে সময় লাগছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিন। যেটি সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের চেয়েও কম সময়ে সম্পন্ন হচ্ছে। ভূমি অফিসে আসা সেবা প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভূমি অফিসে আসলে কে দালাল আর কে এই কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী তা বোঝা দায় ছিল। দালালদের পেছনে ঘুরে ঘুরে জমির নামজারি বা অন্যান্য কাজ করতে হতো। তাদের মনে ছিল ক্ষোভ-অসন্তোষ।

 

তারা অভিযোগ জানানোর মত কাউকে পেতেন না। কিন্ত্ত সেই নেতিবাচক ধারণা পাল্টে দিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ। তিনি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নিয়মিত অফিস করছেন। এমনকি কাজের চাপে অনেক সময় রাতেও অফিস করতে হয়।একই সঙ্গে পুঠিয়া পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। সদিচ্ছা থাকলেই যে দায়িত্বশীল একজন সরকারি কর্মকর্তা, এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভুমিকা রাখতে পারেন শিবু দাশ তার দৃস্টান্ত।তিনি পৌরসভার উন্নয়নেও ব্যাপক ভুমিকা রেখে চলেছেন।একটা সময় পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়মিত বেতনভাতা পেতেন না। তাদের বেতনভাতা নিয়মিতকরণ, বিদ্যুতের বকেয়া বিল পরিশোধ,পৌর ভবনের আধুনিকায়ণ ও বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে ভূমি অফিস চত্বরে বেশ ছায়াঢাকা পরিবেশ। সেই ভুমি অফিসের পরিবেশটিকে আরো মোহনীয় করা হয়েছে। করা হয়েছে ফুলের বাগান। জনগণের নানা কাজ করার জায়গা বা অপেক্ষার জন্য বসার ঘরে আরামদায়ক চেয়ার দেয়া হয়েছে। এখানে গাছের গোড়াগুলো টাইলস দিয়ে বাঁধানো হয়েছে। ভূমি অফিসের ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজটিও সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া সেবা প্রত্যাশী জনসাধারণের জন্য অফিসের ফুটপাতের অংশটুকুও আকর্ষণীয় করতে টাইলস দ্বারা বাঁধানো হয়েছে।

 

এতে সেবা প্রত্যাশীরা একটি সুন্দর পরিবেশে অপেক্ষা করে তাদের সেবা নিয়ে ঘরে ফিরতে পারছেন। এখানে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন সহকারী কমিশনার। তিনি আগতদের জন্য একটি স্বাস্থসম্মত ও ঝকঝকে টয়লেট নির্মাণের ব্যবস্থা করেছেন। উপজেলার সবগুলো ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। সেখানে আগত জনগণ কেমন সেবা পাচ্ছেন তা মনিটর করা হয়। নামজারির সময় ২৮ দিনের কম সময়ে এ অফিস ১৭ থেকে ২০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারছে। এক্ষেত্রে জেলার মধ্যে পুঠিয়া উপজেলা ভূমি অফিস কম সময়ের মধ্যে নামজারীর আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জেলায় প্রায় শীর্ষে রয়েছে।

 

এছাড়াও নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এদিকে ভ্রাম্যমান অভিযানের মাধ্যমে ইতিমধ্যে বানেশ্বর হাটের প্রায় শত কোটি টাকা মুল্যর সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার,বিভিন্ন নকল কসমেটিক কারখানা সিল গালা ও জরিমানা আদায়, ফসলি জমিতে অবৈধ পুকুর ও কৃষি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি টপসয়েল কাটা প্রতিরোধ, জরিমানা আদায়,এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন বিকল ও ব্যাটারি জব্দ ইত্যাদি কার্যক্রমে জনমনে পরম স্বত্তি বিরাজ করছে। উপজেলার সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ সহকারী কমিশনার (ভুমি) শিবু দাশের এসব কার্যক্রমের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন।একইসঙ্গে এসব কার্যক্রম চলমান রাখার অনুরোধ করেছেন।

 

উপজেলার বিড়ালদহ এলাকার আব্দুল আলিম বলেন,তার একটি নামজারি নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন যাবত ঘুরছেন,তবে এই এসিল্যান্ড যোগদানের পর মাত্র ২২ দিনে তার নামজারি কাজ সম্পন্ন হয়েছে।শিবপুর এলাকার কৃষক হাসমত আলী বলেন,তার একটি মিস কেস নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন যাবত ঘুরছেন,শুধু দিনের পর দিন পড়ে।কিন্ত্ত এই এসিল্যান্ড সাহেব আশার পর মাত্র অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই তার মিস কেসের শুনানি হয়েছে।

 

এবিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ জানান, তিনি সরকারি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করছেন মাত্র। তিনি বলেন, আমি চাই সততার সঙ্গে কাজ করতে এবং সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে জনগণের ভোগান্তি লাঘব করতে। আবার জমিজমা নিয়ে জালিয়াতি বা কেউ যাতে প্রতারণা করতে না পারে সেটিও প্রতিরোধের চেষ্টা করছি। এক্ষেত্রে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান স্যারের সার্বিক সহযোগিতা পাচ্ছেন বলে জানান।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সুষ্ঠু ও নিরেপক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেঃ -পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন

error: Content is protected !!

রাজশাহীর পুঠিয়া ভুমি অফিস রোল মডেল

আপডেট টাইম : ২১ ঘন্টা আগে
আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

আলিফ হোসেনঃ

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা ভূমি অফিসে সেবা প্রত্যাশীদের হয়রানি ও দুর্ভোগ কমেছে একই সঙ্গে বেড়েছে সেবার গতি ও মান। উপজেলা ভূমি অফিসে দ্রুততার সঙ্গে সেবা মেলায় খুশি সাধারণ মানুষ। শুধু তাই নয় অফিসের বাহ্যিক চাকচিক্যময় পরিবেশের সঙ্গে ভেতরেও হয়রানি মুক্ত দ্রত গতির কাজ অন্যদের কাছে এই অফিস মডেল হয়ে উঠেছে। উপজেলা ভূমি অফিসের ভেতর-বাইরে এমন ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিবু দাশ সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে গোদাগাড়ী উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই ভূমি কর (রাজস্ব) আদায়ের পাশাপাশি অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক নামজারি কেস নিষ্পত্তি করে সাধারণ মানুষের কাছে থেকে ব্যাপক প্রশংসা ও ভালবাসা পেয়েছেন। অথচ একটা সময় যেখানে নিজের জমি খারিজ করতে সময় লেগে যেতো ১০ মাস থেকে এক বছর। সেই খারিজ সম্পন্ন করতে সময় লাগছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিন। যেটি সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের চেয়েও কম সময়ে সম্পন্ন হচ্ছে। ভূমি অফিসে আসা সেবা প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভূমি অফিসে আসলে কে দালাল আর কে এই কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী তা বোঝা দায় ছিল। দালালদের পেছনে ঘুরে ঘুরে জমির নামজারি বা অন্যান্য কাজ করতে হতো। তাদের মনে ছিল ক্ষোভ-অসন্তোষ।

 

তারা অভিযোগ জানানোর মত কাউকে পেতেন না। কিন্ত্ত সেই নেতিবাচক ধারণা পাল্টে দিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ। তিনি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নিয়মিত অফিস করছেন। এমনকি কাজের চাপে অনেক সময় রাতেও অফিস করতে হয়।একই সঙ্গে পুঠিয়া পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। সদিচ্ছা থাকলেই যে দায়িত্বশীল একজন সরকারি কর্মকর্তা, এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভুমিকা রাখতে পারেন শিবু দাশ তার দৃস্টান্ত।তিনি পৌরসভার উন্নয়নেও ব্যাপক ভুমিকা রেখে চলেছেন।একটা সময় পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়মিত বেতনভাতা পেতেন না। তাদের বেতনভাতা নিয়মিতকরণ, বিদ্যুতের বকেয়া বিল পরিশোধ,পৌর ভবনের আধুনিকায়ণ ও বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে ভূমি অফিস চত্বরে বেশ ছায়াঢাকা পরিবেশ। সেই ভুমি অফিসের পরিবেশটিকে আরো মোহনীয় করা হয়েছে। করা হয়েছে ফুলের বাগান। জনগণের নানা কাজ করার জায়গা বা অপেক্ষার জন্য বসার ঘরে আরামদায়ক চেয়ার দেয়া হয়েছে। এখানে গাছের গোড়াগুলো টাইলস দিয়ে বাঁধানো হয়েছে। ভূমি অফিসের ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজটিও সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া সেবা প্রত্যাশী জনসাধারণের জন্য অফিসের ফুটপাতের অংশটুকুও আকর্ষণীয় করতে টাইলস দ্বারা বাঁধানো হয়েছে।

 

এতে সেবা প্রত্যাশীরা একটি সুন্দর পরিবেশে অপেক্ষা করে তাদের সেবা নিয়ে ঘরে ফিরতে পারছেন। এখানে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন সহকারী কমিশনার। তিনি আগতদের জন্য একটি স্বাস্থসম্মত ও ঝকঝকে টয়লেট নির্মাণের ব্যবস্থা করেছেন। উপজেলার সবগুলো ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। সেখানে আগত জনগণ কেমন সেবা পাচ্ছেন তা মনিটর করা হয়। নামজারির সময় ২৮ দিনের কম সময়ে এ অফিস ১৭ থেকে ২০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারছে। এক্ষেত্রে জেলার মধ্যে পুঠিয়া উপজেলা ভূমি অফিস কম সময়ের মধ্যে নামজারীর আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জেলায় প্রায় শীর্ষে রয়েছে।

 

এছাড়াও নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এদিকে ভ্রাম্যমান অভিযানের মাধ্যমে ইতিমধ্যে বানেশ্বর হাটের প্রায় শত কোটি টাকা মুল্যর সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার,বিভিন্ন নকল কসমেটিক কারখানা সিল গালা ও জরিমানা আদায়, ফসলি জমিতে অবৈধ পুকুর ও কৃষি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি টপসয়েল কাটা প্রতিরোধ, জরিমানা আদায়,এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন বিকল ও ব্যাটারি জব্দ ইত্যাদি কার্যক্রমে জনমনে পরম স্বত্তি বিরাজ করছে। উপজেলার সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ সহকারী কমিশনার (ভুমি) শিবু দাশের এসব কার্যক্রমের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন।একইসঙ্গে এসব কার্যক্রম চলমান রাখার অনুরোধ করেছেন।

 

উপজেলার বিড়ালদহ এলাকার আব্দুল আলিম বলেন,তার একটি নামজারি নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন যাবত ঘুরছেন,তবে এই এসিল্যান্ড যোগদানের পর মাত্র ২২ দিনে তার নামজারি কাজ সম্পন্ন হয়েছে।শিবপুর এলাকার কৃষক হাসমত আলী বলেন,তার একটি মিস কেস নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন যাবত ঘুরছেন,শুধু দিনের পর দিন পড়ে।কিন্ত্ত এই এসিল্যান্ড সাহেব আশার পর মাত্র অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই তার মিস কেসের শুনানি হয়েছে।

 

এবিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ জানান, তিনি সরকারি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করছেন মাত্র। তিনি বলেন, আমি চাই সততার সঙ্গে কাজ করতে এবং সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে জনগণের ভোগান্তি লাঘব করতে। আবার জমিজমা নিয়ে জালিয়াতি বা কেউ যাতে প্রতারণা করতে না পারে সেটিও প্রতিরোধের চেষ্টা করছি। এক্ষেত্রে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান স্যারের সার্বিক সহযোগিতা পাচ্ছেন বলে জানান।


প্রিন্ট