ঢাকা , রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে Logo মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু Logo মধুখালীতে দোয়া মাহফিল ও গণমাধ্যম কর্মিদের সাথে মতবিনিময় Logo বাঘায় মুক্তিযোদ্ধার সাথে সংসদ সদস্য প্রার্থী চাঁদের মতবিনিময় Logo শিবগঞ্জে চোখ উপড়ে পাহারাদারকে হত্যা Logo মধুখালীতে সাংবাদিক সাগর চক্রবর্তীর মোটরসাইকেল চুরি Logo বালিয়াকান্দিতে মোবাইলকোট পরিচালনায় দুই ট্রলি চালককে জরিমানা  Logo বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য পালশা ডে নাইট শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

রাজশাহীতে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

ফিরোজ আলমঃ

রাজশাহীতে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় শনিবার (১৭ জানুয়ারী) বিকেল সময়ে কেশরহাট পৌর বিএনপির সর্বস্তরের জনসাধারণ আয়োজনে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চেয়ারপার্সন ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

উক্ত সভায় কেশরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন আলো সভাপতিত্বে ও রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাইসুল ইসলাম রাসেল সঞ্চলনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজশাহী -৩ (পবা-মোহনপুর) বিএনপি’র মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সহ- সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

 

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামিমুল ইসলাম মুন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব আর রশিদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজিম উদ্দিন সরকার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের মোল্লা, কেশরহাট পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক খুশবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল আক্তার ও মাহবুব আলম বুলবুল, রাজশাহী জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক তাজউদ্দীন আহমদ, রাজশাহী জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রোমেনা হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও যুবদলনেতা সিনিয়র সাজ্জাদ হোসেন, আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান রুবেল।

 

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন কেশরহাট উচ্চ বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, কেশরহাট পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শাহিন আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল ইসলাম রেজা, কেশরহাট পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সোহরাব হোসেন, সদস্য সচিব সোহেল রানা, কেশরহাট পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাফিউল আলম সুইট, সদস্য সচিব সাদ্দাম হোসেন ডলার, যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিমুদ্দিন সাফা, উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নাসিমা আক্তার বেলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য ববিতা বেগম, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল ও শ্রমিক দল নেতৃবৃন্দসহ ওয়ার্ড পযার্য়ের বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় বক্তারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

 

এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে নির্যাতিত, সাহসী ও আপসহীন জননেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

তিনি তাঁর নিজ বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হয়েছেন। সেইসাথে তাঁর স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও কনিষ্ট পুত্র আরাফাত রহমান কোকোকে হারিয়েছে। নেত্রীকে তিনি দীর্ঘ সোয়া ছয় বছর মিথ্যা মামলার সাজানো রায়ে কারাগারে রাখা হয়েছিলো। কারাগাওে থাকা অবস্থায় তাঁর মা ও বোন মারা যান। এর আগে তাঁকে তাঁর স্মৃতি বিজরীত বসত ভিটা উচ্ছেদ করা হয়েছিলো। এমনকি বুল্ডরোজার দিয়ে তাঁর বাড়ি মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছিলো। শত নির্যাতন করেও তিনি তিনি দেশের মানুষকে ও দেশকে বাঁচাতে একটি স্লোগান দিয়েছিলেন দেশ বাঁচাও,দেশের মানুষ বাঁচাও। তাঁর এই কথা সে সময়ে বিএনপি নেতাকর্মী ও জনগণ বুঝতে পারেনি। পওে জনগণ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। খুনি হাসিনা দেশকে ভারতের নিকট বিক্রি কওে দিয়েছে। দেশেল মানুষের সকল প্রকার স্বাধীনতা খর্ব করেছিলো বলে উল্লেখ করেন তিনি। গত ৫আগস্ট ছাত্র-জনতাকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে ফলিত হয়েছে।

 

রেখে গেছেন মানুগুরুতর অসুস্থ হলেও তিনি দেশের বাহিরে যেয়ে চিকিৎসা করার অনুমতি পাননি। তাঁর কক্ষে তেলাপোকা, টিকটিকি ও ইঁদুর ছেড়ে দেয়া হতো। সেখান থেকে তিনি ধীরে ধীরে অসুস্থ হতে থাকেন। তিনি আর সম্পুর্নভাবে সুস্থ হতে পারেননি। তাঁর রুমে একটি এসি পর্যন্ত দেয়া হয়নি। তাঁকে চিকিৎসা করা জন্য ওদেশেল বাহিরে নেয়ার জন্য বললেও তাঁকে বিদেশে নিতে দেয়া হয়নি। এরপর গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর দেশের মানুষকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন।

 

এত কিছুর পরেও তিনি দেশবাসীকে ছেড়ে যাননি। তার রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রাম এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। গোটা দেশ গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকে স্মরণ করছে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও অবদানের কথা স্মরণ করে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি ও উপস্থিত নেতা-কর্মীরা।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সুষ্ঠু ও নিরেপক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেঃ -পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন

error: Content is protected !!

রাজশাহীতে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

আপডেট টাইম : ১২ ঘন্টা আগে
ফিরোজ আলম, মোহনপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

ফিরোজ আলমঃ

রাজশাহীতে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় শনিবার (১৭ জানুয়ারী) বিকেল সময়ে কেশরহাট পৌর বিএনপির সর্বস্তরের জনসাধারণ আয়োজনে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চেয়ারপার্সন ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

উক্ত সভায় কেশরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন আলো সভাপতিত্বে ও রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাইসুল ইসলাম রাসেল সঞ্চলনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজশাহী -৩ (পবা-মোহনপুর) বিএনপি’র মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সহ- সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

 

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামিমুল ইসলাম মুন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব আর রশিদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজিম উদ্দিন সরকার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের মোল্লা, কেশরহাট পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক খুশবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল আক্তার ও মাহবুব আলম বুলবুল, রাজশাহী জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক তাজউদ্দীন আহমদ, রাজশাহী জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রোমেনা হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও যুবদলনেতা সিনিয়র সাজ্জাদ হোসেন, আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান রুবেল।

 

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন কেশরহাট উচ্চ বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, কেশরহাট পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শাহিন আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল ইসলাম রেজা, কেশরহাট পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সোহরাব হোসেন, সদস্য সচিব সোহেল রানা, কেশরহাট পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাফিউল আলম সুইট, সদস্য সচিব সাদ্দাম হোসেন ডলার, যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিমুদ্দিন সাফা, উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নাসিমা আক্তার বেলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য ববিতা বেগম, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল ও শ্রমিক দল নেতৃবৃন্দসহ ওয়ার্ড পযার্য়ের বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় বক্তারা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

 

এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে নির্যাতিত, সাহসী ও আপসহীন জননেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

তিনি তাঁর নিজ বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হয়েছেন। সেইসাথে তাঁর স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও কনিষ্ট পুত্র আরাফাত রহমান কোকোকে হারিয়েছে। নেত্রীকে তিনি দীর্ঘ সোয়া ছয় বছর মিথ্যা মামলার সাজানো রায়ে কারাগারে রাখা হয়েছিলো। কারাগাওে থাকা অবস্থায় তাঁর মা ও বোন মারা যান। এর আগে তাঁকে তাঁর স্মৃতি বিজরীত বসত ভিটা উচ্ছেদ করা হয়েছিলো। এমনকি বুল্ডরোজার দিয়ে তাঁর বাড়ি মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছিলো। শত নির্যাতন করেও তিনি তিনি দেশের মানুষকে ও দেশকে বাঁচাতে একটি স্লোগান দিয়েছিলেন দেশ বাঁচাও,দেশের মানুষ বাঁচাও। তাঁর এই কথা সে সময়ে বিএনপি নেতাকর্মী ও জনগণ বুঝতে পারেনি। পওে জনগণ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। খুনি হাসিনা দেশকে ভারতের নিকট বিক্রি কওে দিয়েছে। দেশেল মানুষের সকল প্রকার স্বাধীনতা খর্ব করেছিলো বলে উল্লেখ করেন তিনি। গত ৫আগস্ট ছাত্র-জনতাকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে ফলিত হয়েছে।

 

রেখে গেছেন মানুগুরুতর অসুস্থ হলেও তিনি দেশের বাহিরে যেয়ে চিকিৎসা করার অনুমতি পাননি। তাঁর কক্ষে তেলাপোকা, টিকটিকি ও ইঁদুর ছেড়ে দেয়া হতো। সেখান থেকে তিনি ধীরে ধীরে অসুস্থ হতে থাকেন। তিনি আর সম্পুর্নভাবে সুস্থ হতে পারেননি। তাঁর রুমে একটি এসি পর্যন্ত দেয়া হয়নি। তাঁকে চিকিৎসা করা জন্য ওদেশেল বাহিরে নেয়ার জন্য বললেও তাঁকে বিদেশে নিতে দেয়া হয়নি। এরপর গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর দেশের মানুষকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন।

 

এত কিছুর পরেও তিনি দেশবাসীকে ছেড়ে যাননি। তার রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রাম এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। গোটা দেশ গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকে স্মরণ করছে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও অবদানের কথা স্মরণ করে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি ও উপস্থিত নেতা-কর্মীরা।


প্রিন্ট