মোঃ নূর ই আলম (কাজী নূর)ঃ
যশোর- ৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর ও বসুন্দিয়া) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী মাঠে শেষ মুহূর্তে নাটকীয় মোড় সৃষ্টি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পারায় নির্বাচন থেকে কার্যত ছিটকে পড়া গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মোঃ আবুল কালাম গাজী অবশেষে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপে পুনরায় নির্বাচনী দৌড়ে ফিরেছেন।
জানা গেছে, গত ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে তা জমা দিতে ব্যর্থ হন আবুল কালাম গাজী। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার মনোনয়নপত্র গ্রহণের জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে আদেশ প্রদান করেন।
উচ্চ আদালতের সেই আদেশ কার্যকর করে বুধবার দুপুর ২টার দিকে মোঃ আবুল কালাম গাজী যশোর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। আদালতের আদেশের অনুলিপি সংযুক্ত করে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
মনোনয়নপত্র দাখিলকে কেন্দ্র করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক ইকবাল, শ্রমিক অধিকারের সভাপতি মুরাদ, যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তারেক, আরিফ, কবিতা খানম, মিয়াজসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
নেতাকর্মীরা এ ঘটনাকে আইনের শাসনের বিজয় এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সমান সুযোগ নিশ্চিতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, উচ্চ আদালতের এই আদেশ শুধু একজন প্রার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেনি, বরং পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আইনি অধিকার ও ন্যায়বিচারের গুরুত্ব নতুন করে সামনে এনেছে। শেষ মুহূর্তে আবুল কালাম গাজীর অন্তর্ভুক্তি যশোর- ৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।
এদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সব আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।
প্রিন্ট

মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক 
মোঃ নূর -ই- আলম (কাজী নূর), যশোর জেলা প্রতিনিধি 





















