ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

সেতু যেন মরণফাঁদ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার টগরবন্দ ইউনিয়নের সাত গ্রামের মানুষের উপজেলার সাথে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান সড়কের খালের ওপর নির্মিত সেতুটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সেতুর দু’পাশের রেলিং ভেঙে পলেস্তারা উঠে গেছে। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েল শিক্ষক, স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীসহ এলাকাবাসী এই রেলিং ভাঙা সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন টগরবন্দ ইউনিয়নের চাপুলিয়া, চর আজমপুর, চরডাঙ্গা, চাপুলিয়া, চরধানাইড়,শিকিপাড়া, চাপুলিয়া গুচ্ছগ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৮২-৮৩ সালে এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। ওই এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য কাওছার ফকিরের নামে সেতুটি পরিচিত। কাওছার ফকিরের পুত্র বর্তমান ইউপি সদস্য কালু ফকির জানায়, সেতুর রেলিং ভেঙে গেছে, এলাকার মানুষ খুবই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। আমরা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাহেবকে অনেক বার বলেছি। দীর্ঘদিন সেতুটি বেহাল অবস্থা থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই মানুষ এবং গাড়ি পারাপার হচ্ছে। তাঁই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুনঃ আলফাডাঙ্গায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশিকের নির্বাচনী আলোচনা সভা

চরডাঙ্গা মনিং স্টার একাডেমির প্রধান শিক্ষক এটিএম মুন্নু মিয়া জানান, মধুমতি নদীর ভাঙনে চার বছর আগে বাজড়া সড়ক বিলীন হওয়ার পর থেকে এই ভাঙা সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। চর ধানাইড় গ্রামের আক্কাস ভূইয়া জানান, উপজেলার সাথে আমাদের একমাত্র যোগাযোগের সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়াতে আমাদের নানান সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এলাকাবাসী অসুস্থ হয়ে পড়লে জরুরী প্রয়োজনে এ্যাম্বুলেন্স আনা সম্ভাব হয় না।

চরডাঙ্গা গ্রামের মুরাদ হোসেন জানান, পানির অভাবে পাট জাগ দিতে কষ্ট হচ্ছে। খালে কিছু পানি জমেছে সেখানে পাট নিতে হলে সেতু ব্যবহার করতে হচ্ছে, তাই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। শুধু পাট নয় যে কোনো ফসল আনা নেওয়া করতে হলে এই ভাঙা সেতুটি আমাদের একমাত্র ভরসা। সেতুটি নির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গা–কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্প একনেকে উঠছে ৩ নভেম্বর

error: Content is protected !!

সেতু যেন মরণফাঁদ

আপডেট টাইম : ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২
মোঃ ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ :

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার টগরবন্দ ইউনিয়নের সাত গ্রামের মানুষের উপজেলার সাথে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান সড়কের খালের ওপর নির্মিত সেতুটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সেতুর দু’পাশের রেলিং ভেঙে পলেস্তারা উঠে গেছে। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েল শিক্ষক, স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীসহ এলাকাবাসী এই রেলিং ভাঙা সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন টগরবন্দ ইউনিয়নের চাপুলিয়া, চর আজমপুর, চরডাঙ্গা, চাপুলিয়া, চরধানাইড়,শিকিপাড়া, চাপুলিয়া গুচ্ছগ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৮২-৮৩ সালে এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। ওই এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য কাওছার ফকিরের নামে সেতুটি পরিচিত। কাওছার ফকিরের পুত্র বর্তমান ইউপি সদস্য কালু ফকির জানায়, সেতুর রেলিং ভেঙে গেছে, এলাকার মানুষ খুবই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। আমরা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাহেবকে অনেক বার বলেছি। দীর্ঘদিন সেতুটি বেহাল অবস্থা থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই মানুষ এবং গাড়ি পারাপার হচ্ছে। তাঁই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুনঃ আলফাডাঙ্গায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশিকের নির্বাচনী আলোচনা সভা

চরডাঙ্গা মনিং স্টার একাডেমির প্রধান শিক্ষক এটিএম মুন্নু মিয়া জানান, মধুমতি নদীর ভাঙনে চার বছর আগে বাজড়া সড়ক বিলীন হওয়ার পর থেকে এই ভাঙা সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। চর ধানাইড় গ্রামের আক্কাস ভূইয়া জানান, উপজেলার সাথে আমাদের একমাত্র যোগাযোগের সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়াতে আমাদের নানান সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এলাকাবাসী অসুস্থ হয়ে পড়লে জরুরী প্রয়োজনে এ্যাম্বুলেন্স আনা সম্ভাব হয় না।

চরডাঙ্গা গ্রামের মুরাদ হোসেন জানান, পানির অভাবে পাট জাগ দিতে কষ্ট হচ্ছে। খালে কিছু পানি জমেছে সেখানে পাট নিতে হলে সেতু ব্যবহার করতে হচ্ছে, তাই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। শুধু পাট নয় যে কোনো ফসল আনা নেওয়া করতে হলে এই ভাঙা সেতুটি আমাদের একমাত্র ভরসা। সেতুটি নির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছি।