ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

সালথায় কালবৈশাখী ঝড়ে প্রতিবেশির গাছ ভেঙ্গে পড়ে দিনমুজুরের ব্যাপক ক্ষতি

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের সাধুহাটি গ্রামে, কালবৈশাখী ঝড়ে প্রতিবেশীর চাম্বুল গাছ ভেঙে পড়ে এক দিনমুজুরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গতকাল ( ৯ মে) সন্ধ্যায় ঝড়ের সময় ওই গ্রামের মৃত আলেক শেখের ছেলে রবিউল শেখ এর বসত ঘরের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়ে। এতে তার বসত ঘরের চাল ভেঙ্গে যায়। অল্পের জন্যে বেঁচে যায় ঘরে থাকা ১৬ দিনের নবজাতকসহ কয়েকটি প্রান। এখনও তারা ভয়ে দিন পার করছে যেকোন সময় ভেঙে পড়তে পারে পাশে থাকা আরো মটকা ধরনের চাম্বুল গাছ গুলো। প্রতিবেশি ওই গাছের মালিক স্থানীয় মোনায়েম খাঁনকে বার বার বলা সত্বেও গাছেগুলো কেটে না নেওয়ায় ওই দিনমুজুরের এই ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে জানা যায়।

 

দিনমুজুর রবিউল শেখ অভিযোগ করে বলেন, আমার প্রতিবেশী মোনায়েম খান এই দূর্ঘটনাটাপূর্ন গাছগুলো কেটে নিতে আমার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকাও নিয়েছে, তারপরও গাছ গুলো দুই বছর যাবত কাটেনি। তাই আজ আমার এই ক্ষতি হলো। এখন আমি আমার ঘরের ১৬ দিনের নবজাতক নিয়ে কোথায় বসবাস করবো।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য ওহিদ মোল্লা বলেন, এই গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সাথে আমিও এই গাছ গুলো কেটে নেওয়ার সালিশ করেছি, গাছের মালিক মোনায়েম খান ওই গাছ বিক্রি করেও ব্যাপারীর কাছ থেকে টাকা ফেরৎ নিয়েছে। এটা সে কেন করেছে তা জানি না। তবে আজ অল্পের জন্যে পরিবারটি বেঁচে গেছে, আজ বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারতো।

 

গাছের মালিক মোনায়েম খান বলেন, আমি প্রায় দুই বছর যাবত গ্রামে থাকি না। ওই সময় গাছগুলো কেটে নেওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু এলাকায় না থাকাতে কাটতে পারিনি। এখন সমন্বয় করে কেটে ফেলবো।

 

 

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক মোল্লা বলেন, গাছ কাটার সালিশে আমিও ছিলাম, তবে ওই মোনায়েম খান কয়েকটি মিথ্যা ঘটনার হয়রানির স্বীকার হয়ে গ্রামে ছাড়া হতে হয়েছে তাকে। এজন্য গাছ গুলো কাটতে পারেনি। গতকাল ঝড়ে গাছ ভেঙে যে রবিউলের ঘর ভেঙেছে এটা আমার জানা নেই। খোজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাটি খুঁড়ে জমানো সোনার কণায় প্রেমিকার জন্য আংটি বানালেন যুবক

error: Content is protected !!

সালথায় কালবৈশাখী ঝড়ে প্রতিবেশির গাছ ভেঙ্গে পড়ে দিনমুজুরের ব্যাপক ক্ষতি

আপডেট টাইম : ১২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪
এফ.এম.আজিজুর রহমান, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের সাধুহাটি গ্রামে, কালবৈশাখী ঝড়ে প্রতিবেশীর চাম্বুল গাছ ভেঙে পড়ে এক দিনমুজুরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গতকাল ( ৯ মে) সন্ধ্যায় ঝড়ের সময় ওই গ্রামের মৃত আলেক শেখের ছেলে রবিউল শেখ এর বসত ঘরের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়ে। এতে তার বসত ঘরের চাল ভেঙ্গে যায়। অল্পের জন্যে বেঁচে যায় ঘরে থাকা ১৬ দিনের নবজাতকসহ কয়েকটি প্রান। এখনও তারা ভয়ে দিন পার করছে যেকোন সময় ভেঙে পড়তে পারে পাশে থাকা আরো মটকা ধরনের চাম্বুল গাছ গুলো। প্রতিবেশি ওই গাছের মালিক স্থানীয় মোনায়েম খাঁনকে বার বার বলা সত্বেও গাছেগুলো কেটে না নেওয়ায় ওই দিনমুজুরের এই ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে জানা যায়।

 

দিনমুজুর রবিউল শেখ অভিযোগ করে বলেন, আমার প্রতিবেশী মোনায়েম খান এই দূর্ঘটনাটাপূর্ন গাছগুলো কেটে নিতে আমার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকাও নিয়েছে, তারপরও গাছ গুলো দুই বছর যাবত কাটেনি। তাই আজ আমার এই ক্ষতি হলো। এখন আমি আমার ঘরের ১৬ দিনের নবজাতক নিয়ে কোথায় বসবাস করবো।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য ওহিদ মোল্লা বলেন, এই গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সাথে আমিও এই গাছ গুলো কেটে নেওয়ার সালিশ করেছি, গাছের মালিক মোনায়েম খান ওই গাছ বিক্রি করেও ব্যাপারীর কাছ থেকে টাকা ফেরৎ নিয়েছে। এটা সে কেন করেছে তা জানি না। তবে আজ অল্পের জন্যে পরিবারটি বেঁচে গেছে, আজ বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারতো।

 

গাছের মালিক মোনায়েম খান বলেন, আমি প্রায় দুই বছর যাবত গ্রামে থাকি না। ওই সময় গাছগুলো কেটে নেওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু এলাকায় না থাকাতে কাটতে পারিনি। এখন সমন্বয় করে কেটে ফেলবো।

 

 

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক মোল্লা বলেন, গাছ কাটার সালিশে আমিও ছিলাম, তবে ওই মোনায়েম খান কয়েকটি মিথ্যা ঘটনার হয়রানির স্বীকার হয়ে গ্রামে ছাড়া হতে হয়েছে তাকে। এজন্য গাছ গুলো কাটতে পারেনি। গতকাল ঝড়ে গাছ ভেঙে যে রবিউলের ঘর ভেঙেছে এটা আমার জানা নেই। খোজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।