ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: দেশে সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে সামগ্রিকভাবে কোনো ধরনের সারের ঘাটতি নেই, তবে কিছু সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কিছুটা বেশি চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সার পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করার জন্য বিজিবিকে ইতোমধ্যে অনুরোধ করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরমংলা ইকোপার্কে স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি সাংবাদিকদের জানান, কোনো অসাধু চক্র যেন সরকারি ভর্তুকিপ্রাপ্ত সার অপব্যবহার করতে না পারে কিংবা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কড়া নজরদারি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে প্রতিবছর ইউরিয়া সারের যে বিপুল চাহিদা রয়েছে, তার বিপরীতে সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সরকার উচ্চ ভর্তুকি দিয়ে থাকে এমন কিছু নির্দিষ্ট সারের চাহিদা কোনো কোনো অঞ্চলে হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। কৃষকদের সুবিধার্থে এবং সারের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার এখন ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

নতুন এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি জানান, আগে প্রতিটি ইউনিয়নে মাত্র দুজন করে সার ডিলার থাকলেও বর্ধিত চাহিদা মেটাতে এখন থেকে প্রতি ইউনিয়নে অতিরিক্ত একজন করে নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাস থেকেই এই নতুন ডিলারদের মাধ্যমে সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে এবং তাদের অনুকূলে সারের বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আসন্ন রোপণ মৌসুমে কৃষকদের আর কোনো ধরনের সারের সংকটে পড়তে হবে না।

এর আগে মন্ত্রী রাজশাহীর হরিপুর ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কৃষক মোহাম্মদ নাজমুল করিম সুজনের লিচুবাগানে বস্তায় আদা চাষের অভিনব পদ্ধতি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় কৃষি বিভাগ ও বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যাচের আগে কার সঙ্গে দেখা করলেন মেসি

error: Content is protected !!

সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ২ ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

জাতীয় ডেস্ক: দেশে সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে সামগ্রিকভাবে কোনো ধরনের সারের ঘাটতি নেই, তবে কিছু সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কিছুটা বেশি চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সার পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করার জন্য বিজিবিকে ইতোমধ্যে অনুরোধ করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরমংলা ইকোপার্কে স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি সাংবাদিকদের জানান, কোনো অসাধু চক্র যেন সরকারি ভর্তুকিপ্রাপ্ত সার অপব্যবহার করতে না পারে কিংবা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কড়া নজরদারি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে প্রতিবছর ইউরিয়া সারের যে বিপুল চাহিদা রয়েছে, তার বিপরীতে সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সরকার উচ্চ ভর্তুকি দিয়ে থাকে এমন কিছু নির্দিষ্ট সারের চাহিদা কোনো কোনো অঞ্চলে হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। কৃষকদের সুবিধার্থে এবং সারের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার এখন ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

নতুন এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি জানান, আগে প্রতিটি ইউনিয়নে মাত্র দুজন করে সার ডিলার থাকলেও বর্ধিত চাহিদা মেটাতে এখন থেকে প্রতি ইউনিয়নে অতিরিক্ত একজন করে নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাস থেকেই এই নতুন ডিলারদের মাধ্যমে সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে এবং তাদের অনুকূলে সারের বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আসন্ন রোপণ মৌসুমে কৃষকদের আর কোনো ধরনের সারের সংকটে পড়তে হবে না।

এর আগে মন্ত্রী রাজশাহীর হরিপুর ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কৃষক মোহাম্মদ নাজমুল করিম সুজনের লিচুবাগানে বস্তায় আদা চাষের অভিনব পদ্ধতি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় কৃষি বিভাগ ও বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।