ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

খুলনার ইন্দ্রমোহন সুইটসের ১৩৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, বিশেষত্ব কী

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী শহর খুলনার ব্যবসায়িক কেন্দ্র বড় বাজারে দীর্ঘকাল ধরে নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে সুপ্রাচীন মিষ্টির দোকান ইন্দ্রমোহন সুইটস। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে মিষ্টি তৈরি ও বিক্রি করে আসছে এবং স্থানীয় মিষ্টিপ্রেমীদের কাছে এটি একটি বিশেষ নাম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শহরের অনেক পরিবর্তন ঘটলেও এই দোকানের সুনাম এবং মিষ্টির গুণগত মান আজও অপরিবর্তিত রয়েছে।

ঐতিহাসিক এই মিষ্টির দোকানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৯০ সালে এবং তখন থেকেই একই ধরনের গোপন রেসিপি বা প্রণালিতে মিষ্টি তৈরি করা হচ্ছে। শুরু থেকেই এই দোকানে মূলত পাঁচ ধরনের বিশেষ মিষ্টি তৈরি করা হয় যা আজও ক্রেতাদের কাছে সমানভাবে সমাদৃত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একই সুস্বাদু ধারা বজায় রাখার কারণে এই প্রতিষ্ঠানটি খুলনার সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

দোকানের কারিগর ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, মিষ্টির স্বাদ ও মান বজায় রাখতে তারা অত্যন্ত সতর্ক থাকেন এবং কোনো কৃত্রিম উপাদান ব্যবহার করেন না। খাঁটি উপকরণ এবং শত বছরের পুরোনো কারিগরী দক্ষতার মেলবন্ধনেই এই মিষ্টিগুলোর স্বাদ অন্য যেকোনো সাধারণ মিষ্টির চেয়ে আলাদা হয়। দূরদূরান্ত থেকে আসা বহু মানুষ আজও এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির স্বাদ নিতে বড় বাজারের এই পুরোনো দোকানে ভিড় করেন।

খুলনার প্রাচীন ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা ইন্দ্রমোহন সুইটস কেবল একটি মিষ্টির দোকান নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক স্মারক। আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও পুরোনো দিনের সেই ঐতিহ্য এবং স্বাদ টিকিয়ে রাখার কারণে প্রতিষ্ঠানটি আজও মানুষের মনে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। অদূর ভবিষ্যতেও এই ঐতিহ্য ধরে রেখে তারা ক্রেতাদের সেবা দিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনার ইন্দ্রমোহন সুইটসের ১৩৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, বিশেষত্ব কী

error: Content is protected !!

খুলনার ইন্দ্রমোহন সুইটসের ১৩৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, বিশেষত্ব কী

আপডেট টাইম : এক মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী শহর খুলনার ব্যবসায়িক কেন্দ্র বড় বাজারে দীর্ঘকাল ধরে নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে সুপ্রাচীন মিষ্টির দোকান ইন্দ্রমোহন সুইটস। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে মিষ্টি তৈরি ও বিক্রি করে আসছে এবং স্থানীয় মিষ্টিপ্রেমীদের কাছে এটি একটি বিশেষ নাম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শহরের অনেক পরিবর্তন ঘটলেও এই দোকানের সুনাম এবং মিষ্টির গুণগত মান আজও অপরিবর্তিত রয়েছে।

ঐতিহাসিক এই মিষ্টির দোকানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৯০ সালে এবং তখন থেকেই একই ধরনের গোপন রেসিপি বা প্রণালিতে মিষ্টি তৈরি করা হচ্ছে। শুরু থেকেই এই দোকানে মূলত পাঁচ ধরনের বিশেষ মিষ্টি তৈরি করা হয় যা আজও ক্রেতাদের কাছে সমানভাবে সমাদৃত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একই সুস্বাদু ধারা বজায় রাখার কারণে এই প্রতিষ্ঠানটি খুলনার সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

দোকানের কারিগর ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, মিষ্টির স্বাদ ও মান বজায় রাখতে তারা অত্যন্ত সতর্ক থাকেন এবং কোনো কৃত্রিম উপাদান ব্যবহার করেন না। খাঁটি উপকরণ এবং শত বছরের পুরোনো কারিগরী দক্ষতার মেলবন্ধনেই এই মিষ্টিগুলোর স্বাদ অন্য যেকোনো সাধারণ মিষ্টির চেয়ে আলাদা হয়। দূরদূরান্ত থেকে আসা বহু মানুষ আজও এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির স্বাদ নিতে বড় বাজারের এই পুরোনো দোকানে ভিড় করেন।

খুলনার প্রাচীন ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা ইন্দ্রমোহন সুইটস কেবল একটি মিষ্টির দোকান নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক স্মারক। আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও পুরোনো দিনের সেই ঐতিহ্য এবং স্বাদ টিকিয়ে রাখার কারণে প্রতিষ্ঠানটি আজও মানুষের মনে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। অদূর ভবিষ্যতেও এই ঐতিহ্য ধরে রেখে তারা ক্রেতাদের সেবা দিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।