ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। এর অংশ হিসেবে মোংলা বন্দরের কার্যক্ষমতা ও অপারেশনাল সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে এটিকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে খুলনা থেকে শুরু করে একেবারে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড় পর্যন্ত একটি বিশাল শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই বৃহৎ শিল্পায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুবিধা প্রস্তুত না থাকলে বড় ধরনের শিল্প বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব নয়। এই বাস্তবতা মাথায় রেখে গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং যোগাযোগের উন্নত ব্যবস্থার মতো মৌলিক অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে যে, এই শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠলে দেশের উত্তরা ও দক্ষিণাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাও এই মহাপরিকল্পনার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই রূপকল্প বাস্তবায়ন করা যায়।

বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই উদ্যোগকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, মোংলা বন্দরের সুযোগ-সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগানো গেলে এবং দেশের ভেতরে শক্তিশালী শিল্প করিডোর তৈরি হলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। এর মাধ্যমে সামগ্রিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতেও দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যাচের আগে কার সঙ্গে দেখা করলেন মেসি

error: Content is protected !!

খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ২৬ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। এর অংশ হিসেবে মোংলা বন্দরের কার্যক্ষমতা ও অপারেশনাল সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে এটিকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে খুলনা থেকে শুরু করে একেবারে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড় পর্যন্ত একটি বিশাল শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই বৃহৎ শিল্পায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুবিধা প্রস্তুত না থাকলে বড় ধরনের শিল্প বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব নয়। এই বাস্তবতা মাথায় রেখে গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং যোগাযোগের উন্নত ব্যবস্থার মতো মৌলিক অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে যে, এই শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠলে দেশের উত্তরা ও দক্ষিণাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাও এই মহাপরিকল্পনার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই রূপকল্প বাস্তবায়ন করা যায়।

বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই উদ্যোগকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, মোংলা বন্দরের সুযোগ-সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগানো গেলে এবং দেশের ভেতরে শক্তিশালী শিল্প করিডোর তৈরি হলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। এর মাধ্যমে সামগ্রিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতেও দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।