ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়, কার লাভ কার ক্ষতি

অর্থনীতি ডেস্ক: জাতীয় সঞ্চয় স্কিম বা সঞ্চয়পত্রের মুনাফা অর্জনের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তন নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে নানা ধরনের প্রশ্ন ও ধোঁয়াশা কাজ করে থাকে। অনেকেই মনে করেন মুনাফা প্রদানের সময় ব্যাংক বা নির্দিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান যে উৎসে কর কেটে রাখে, সেটিই বুঝি চূড়ান্ত বা শেষ কর। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী এই ধারণাটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় এবং এর পেছনের আইনি প্রক্রিয়া বেশ সুনির্দিষ্ট।

বাস্তব নিয়ম হলো সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে যে পরিমাণ অর্থ উৎসে কর হিসেবে কেটে রাখা হয়, তা কোনোভাবেই চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে গণ্য হয় না। বিনিয়োগকারীকে বছর শেষে তার বার্ষিক মোট আয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত করের হিসাব দাখিল করতে হয়। বার্ষিক হিসাব করার সময় উৎসে কাটা এই অর্থ সমন্বয় করার পূর্ণ সুযোগ করদাতার জন্য সংরক্ষিত থাকে।

কোনো করদাতার ক্ষেত্রে যদি দেখা যায় যে বছরজুড়ে সঞ্চয়পত্র থেকে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি উৎসে কর কেটে রাখা হয়েছে, তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। বার্ষিক কর মূল্যায়নের পর অতিরিক্ত পরিশোধিত সেই অর্থ সংশ্লিষ্ট কর বিভাগ থেকে ফেরত পাওয়ার আইনগত বিধান রয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত করের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে থাকতে হয় না।

পক্ষান্তরে, করদাতার বার্ষিক আয়ের হিসাব অনুযায়ী যদি দেখা যায় যে উৎসে কাটা অর্থের পরিমাণ প্রকৃত পাওনা করের চেয়ে কম হয়েছে, তবে বাকি অর্থ কর বিভাগকে পরিশোধ করতে হয়। তাই সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এই উৎসে করের বিষয়টি সঠিকভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি ও লাভজনক।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যবিত্ত ভাঙছে, রাষ্ট্র কি ভালো আছে

error: Content is protected !!

সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়, কার লাভ কার ক্ষতি

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

অর্থনীতি ডেস্ক: জাতীয় সঞ্চয় স্কিম বা সঞ্চয়পত্রের মুনাফা অর্জনের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তন নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে নানা ধরনের প্রশ্ন ও ধোঁয়াশা কাজ করে থাকে। অনেকেই মনে করেন মুনাফা প্রদানের সময় ব্যাংক বা নির্দিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান যে উৎসে কর কেটে রাখে, সেটিই বুঝি চূড়ান্ত বা শেষ কর। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী এই ধারণাটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় এবং এর পেছনের আইনি প্রক্রিয়া বেশ সুনির্দিষ্ট।

বাস্তব নিয়ম হলো সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে যে পরিমাণ অর্থ উৎসে কর হিসেবে কেটে রাখা হয়, তা কোনোভাবেই চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে গণ্য হয় না। বিনিয়োগকারীকে বছর শেষে তার বার্ষিক মোট আয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত করের হিসাব দাখিল করতে হয়। বার্ষিক হিসাব করার সময় উৎসে কাটা এই অর্থ সমন্বয় করার পূর্ণ সুযোগ করদাতার জন্য সংরক্ষিত থাকে।

কোনো করদাতার ক্ষেত্রে যদি দেখা যায় যে বছরজুড়ে সঞ্চয়পত্র থেকে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি উৎসে কর কেটে রাখা হয়েছে, তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। বার্ষিক কর মূল্যায়নের পর অতিরিক্ত পরিশোধিত সেই অর্থ সংশ্লিষ্ট কর বিভাগ থেকে ফেরত পাওয়ার আইনগত বিধান রয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত করের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে থাকতে হয় না।

পক্ষান্তরে, করদাতার বার্ষিক আয়ের হিসাব অনুযায়ী যদি দেখা যায় যে উৎসে কাটা অর্থের পরিমাণ প্রকৃত পাওনা করের চেয়ে কম হয়েছে, তবে বাকি অর্থ কর বিভাগকে পরিশোধ করতে হয়। তাই সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এই উৎসে করের বিষয়টি সঠিকভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি ও লাভজনক।