প্রযুক্তি ডেস্ক: সম্ভাব্য সাইবার হামলার মারাত্মক ঝুঁকি এড়াতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তার পরই এই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য ডিজিটাল আক্রমণ প্রতিহত করে ব্যবহারকারীদের সংবেদনশীল ডেটা সুরক্ষিত রাখা।
সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাইবার অপরাধের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ চরমে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারি সংস্থা থেকে শুরু করে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বড় কর্পোরেট করপোরেশনগুলো তাদের অনলাইন অবকাঠামো নতুন করে যাচাই করে দেখছে। সম্ভাব্য যেকোনো বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতেই মূলত এই রক্ষণাবেক্ষণমূলক ও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ থাকার কারণে সাধারণ ব্যবহারকারীরা কিছু সময় ধরে অনলাইন সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হতে পারেন। তবে ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার করার পর খুব দ্রুতই এসব সেবা পুনরায় চালু করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আইটি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান যুগে ডেটা বা তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আকস্মিক কিন্তু প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের বিকল্প নেই।
সাইবার নিরাপত্তা গবেষকরা বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা মনে করছেন, ডিজিটাল ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত তা মেরামত করতে না পারলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বিশ্বজুড়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 
























