ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

এমন ব্যাটিং করে কী আর ফাইনালে যাওয়া যায়

খেলা ডেস্ক: শারীরিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেও শারজাহর উইচে নিজেদের মেলে ধরতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ের ম্যাচে ব্যাটারদের দায়িত্বজ্ঞানহীন পারফরম্যান্স দলের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনে। সেমিফাইনাল বা ফাইনালের রেসে টিকে থাকার সমীকরণ তো দূরে থাক, উইচে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল টাইগার ব্যাটারদের জন্য। ইনিংসের শুরু থেকেই আফগান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আক্রমণের সামনে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।

দলের অভিজ্ঞ ও তরুণ খেলোয়াড় কেউই উইকেটে থিতু হতে পারেননি, ফলে বোর্ডে কোনো বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে ব্যর্থ হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটিং উইকেটেও ধারাবাহিক ব্যর্থতার যে রোগ বাংলাদেশ দলকে গ্রাস করেছে, শারজার এই ম্যাচে তার চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। শট নির্বাচনে বিচক্ষণতার অভাব এবং অপ্রয়োজনীয় তাড়াহুড়ো ইনিংসের দ্রুত পতনের পথ প্রশস্ত করে। কোনো জুটি গড়ার প্রচেষ্টাই সফল হয়নি, যা দলের মন্থর ও নড়বড়ে ব্যাটিং সামর্থ্যকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

বোলিং বিভাগেও এর কোনো ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যায়নি, কারণ অল্প পুঁজি রক্ষা করতে নেমে শুরু থেকেই দিশেহারা ছিল বাংলাদেশি বোলাররা। আফগান ওপেনাররা আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করে সহজেই দলের জয়ের পথ সুগম করেন এবং বোলারদের ওপর কোনো চড়াও হওয়ার সুযোগ দেননি। প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের ওপর কাঙ্ক্ষিত চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হওয়ায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুতই হাতছাড়া হয়ে যায়। ফিল্ডিংয়েও কিছু ক্যাচ মিস ও রান আটকাতে ব্যর্থতার দৃশ্য দেখা গেছে, যা সামগ্রিক পারফরম্যান্সকে আরও মলিন করে তুলেছে।

এই পরাজয়ের ফলে টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই মাঠ ছাড়তে হলো বাংলাদেশ দলকে, যা সমর্থকদের মাঝে তীব্র হতাশার জন্ম দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে ব্যাটিংয়ের এই টেকনিক্যাল ও মানসিক দুর্বলতাগুলো দ্রুত কাটিয়ে ওঠা জরুরি বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। দলটির এমন বিবর্ণ পারফরম্যান্সের পর টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন সমর্থকরা। আসন্ন ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে দলের ব্যাটিং অর্ডারে বড় ধরনের পরিবর্তন ও কৌশলগত সংস্কার আনা এখন সময়ের দাবি।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিআইজির বাসায় অভিযান, মাদক উদ্ধার নিয়ে প্রশ্ন

error: Content is protected !!

এমন ব্যাটিং করে কী আর ফাইনালে যাওয়া যায়

আপডেট টাইম : ৫২ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

খেলা ডেস্ক: শারীরিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেও শারজাহর উইচে নিজেদের মেলে ধরতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ের ম্যাচে ব্যাটারদের দায়িত্বজ্ঞানহীন পারফরম্যান্স দলের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনে। সেমিফাইনাল বা ফাইনালের রেসে টিকে থাকার সমীকরণ তো দূরে থাক, উইচে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল টাইগার ব্যাটারদের জন্য। ইনিংসের শুরু থেকেই আফগান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আক্রমণের সামনে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।

দলের অভিজ্ঞ ও তরুণ খেলোয়াড় কেউই উইকেটে থিতু হতে পারেননি, ফলে বোর্ডে কোনো বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে ব্যর্থ হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটিং উইকেটেও ধারাবাহিক ব্যর্থতার যে রোগ বাংলাদেশ দলকে গ্রাস করেছে, শারজার এই ম্যাচে তার চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। শট নির্বাচনে বিচক্ষণতার অভাব এবং অপ্রয়োজনীয় তাড়াহুড়ো ইনিংসের দ্রুত পতনের পথ প্রশস্ত করে। কোনো জুটি গড়ার প্রচেষ্টাই সফল হয়নি, যা দলের মন্থর ও নড়বড়ে ব্যাটিং সামর্থ্যকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

বোলিং বিভাগেও এর কোনো ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যায়নি, কারণ অল্প পুঁজি রক্ষা করতে নেমে শুরু থেকেই দিশেহারা ছিল বাংলাদেশি বোলাররা। আফগান ওপেনাররা আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করে সহজেই দলের জয়ের পথ সুগম করেন এবং বোলারদের ওপর কোনো চড়াও হওয়ার সুযোগ দেননি। প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের ওপর কাঙ্ক্ষিত চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হওয়ায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুতই হাতছাড়া হয়ে যায়। ফিল্ডিংয়েও কিছু ক্যাচ মিস ও রান আটকাতে ব্যর্থতার দৃশ্য দেখা গেছে, যা সামগ্রিক পারফরম্যান্সকে আরও মলিন করে তুলেছে।

এই পরাজয়ের ফলে টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই মাঠ ছাড়তে হলো বাংলাদেশ দলকে, যা সমর্থকদের মাঝে তীব্র হতাশার জন্ম দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে ব্যাটিংয়ের এই টেকনিক্যাল ও মানসিক দুর্বলতাগুলো দ্রুত কাটিয়ে ওঠা জরুরি বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। দলটির এমন বিবর্ণ পারফরম্যান্সের পর টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন সমর্থকরা। আসন্ন ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে দলের ব্যাটিং অর্ডারে বড় ধরনের পরিবর্তন ও কৌশলগত সংস্কার আনা এখন সময়ের দাবি।