ফরিদপুরের সদরপুরে শর্ট সার্কিট সংক্রান্ত বিদ্যুৎ স্পৃর্শে খলিল হাওলাদার (৬০) নামে ১ জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। ১০ জুলাই, বুধবার সকাল অনুমান ১১টার সময় উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া ঘাটে খলিল হাওলাদার এর নিজস্ব খাবার হোটেলে বিদ্যুৎ এর সুইচ বোর্ড হতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে খলিলের স্ত্রী শান্তি বেগম (৫০)ও আহত হয়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহত খলিল হাওলাদারকে স্থানীয়রা সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মাইদুল ইসলাম দুপুর ১২.২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ বর্তমানে সদরপুর থানা হেফাজতে আছে। নির্ধারিত তদন্ত শেষে লাশ ফেরত দিবে বলে জানিয়েছেন নিহতের চাচাতো ভাই লোকমান হাওলাদার। আরও পড়ুনঃ ৫৩ বছরেও নির্মাণ হয়নি আত্রইয়ের মিরাপুর বধ্যভূমিতে নাম ফলক সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি সদরপুর এর বাইরে আছি। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, থানা হেফাজতে থাকা নিহতের লাশ যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কোন কালক্ষেপণ করা হচ্ছে না।
ফরিদপুরের সদরপুরে শর্ট সার্কিট সংক্রান্ত বিদ্যুৎ স্পৃর্শে খলিল হাওলাদার (৬০) নামে ১ জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। ১০ জুলাই, বুধবার সকাল অনুমান ১১টার সময় উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া ঘাটে খলিল হাওলাদার এর নিজস্ব খাবার হোটেলে বিদ্যুৎ এর সুইচ বোর্ড হতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে খলিলের স্ত্রী শান্তি বেগম (৫০)ও আহত হয়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আহত খলিল হাওলাদারকে স্থানীয়রা সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মাইদুল ইসলাম দুপুর ১২.২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ বর্তমানে সদরপুর থানা হেফাজতে আছে। নির্ধারিত তদন্ত শেষে লাশ ফেরত দিবে বলে জানিয়েছেন নিহতের চাচাতো ভাই লোকমান হাওলাদার।
সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি সদরপুর এর বাইরে আছি। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, থানা হেফাজতে থাকা নিহতের লাশ যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কোন কালক্ষেপণ করা হচ্ছে না।