শিবগঞ্জে রাজমিস্ত্রির এক নবজাতক শিশুর পাশে দাঁড়িয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের হোসেন। জানা গেছে- উপজেলার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে জন্ম নেয় মেরাজ-আক্তারা দম্পতির প্রথম সন্তান। পরিবারে আনন্দ-উৎসব এলেও মনের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছিল রাজমিস্ত্রি মেরাজ আলীর। ক্লিনিকের সাড়ে ১২ হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারার দুশ্চিন্তায় দিন কাটছিল তার। খবর পেয়ে বুধবার বিকালে ওই ক্লিনিকে নবজাতক ও প্রসূতিকে দেখতে যান সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের হোসেন। তাদের খোঁজ-খবর নিয়ে ক্লিনিকের সম্পূর্ণ বিল পরিশোধ করেন তিনি। পরে ক্লিনিক থেকে ছাড়া পেয়ে নবজাতককে নিয়ে বিকেলে বাসায় ফেরেন মা আক্তারা। এর আগে শনিবার উপজেলার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সন্তান প্রসব করেন আক্তারা খাতুন।মেরাজ আলী উপজেলার জালমাছমারী মহল্লার সাবের আলীর ছেলে। আরও পড়ুনঃ রাজশাহীর সানজিদা খাতুন স্ত্রীর দাবিতে নলছিটিতে নবজাতকের বাবা মেরাজ আলী বলেন, আমি ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করি। সন্তান জন্মের পর ক্লিনিকের সাড়ে ১২ হাজার টাকা বিল হয়। কিন্তু বিল পরিশোধ করতে না পারায় স্ত্রী-সন্তানকে ক্লিনিক থেকে ছাড় করিয়ে নিয়ে আসতে পারছিলাম না। পরে শ্বশুর বিষয়টি এসিল্যান্ড স্যারকে জানালে তিনি সশরীরে ক্লিনিকে দেখতে আসেন এবং সকল বিল পরিশোধ করেন। এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়ের হোসেন জানান, রাজমিস্ত্রি মেরাজের শ্বশুর অফিসে এসে বিষয়টি জানালে খোঁজ খবর নিয়ে নিশ্চিত হয়ে তাদের দেখতে যান। পরে তাদের পুরো বিল পরিশোধ করে দম্পতির হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।
শিবগঞ্জে রাজমিস্ত্রির এক নবজাতক শিশুর পাশে দাঁড়িয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের হোসেন। জানা গেছে- উপজেলার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে জন্ম নেয় মেরাজ-আক্তারা দম্পতির প্রথম সন্তান। পরিবারে আনন্দ-উৎসব এলেও মনের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছিল রাজমিস্ত্রি মেরাজ আলীর। ক্লিনিকের সাড়ে ১২ হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারার দুশ্চিন্তায় দিন কাটছিল তার।
খবর পেয়ে বুধবার বিকালে ওই ক্লিনিকে নবজাতক ও প্রসূতিকে দেখতে যান সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের হোসেন। তাদের খোঁজ-খবর নিয়ে ক্লিনিকের সম্পূর্ণ বিল পরিশোধ করেন তিনি। পরে ক্লিনিক থেকে ছাড়া পেয়ে নবজাতককে নিয়ে বিকেলে বাসায় ফেরেন মা আক্তারা। এর আগে শনিবার উপজেলার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সন্তান প্রসব করেন আক্তারা খাতুন।মেরাজ আলী উপজেলার জালমাছমারী মহল্লার সাবের আলীর ছেলে।
নবজাতকের বাবা মেরাজ আলী বলেন, আমি ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করি। সন্তান জন্মের পর ক্লিনিকের সাড়ে ১২ হাজার টাকা বিল হয়। কিন্তু বিল পরিশোধ করতে না পারায় স্ত্রী-সন্তানকে ক্লিনিক থেকে ছাড় করিয়ে নিয়ে আসতে পারছিলাম না। পরে শ্বশুর বিষয়টি এসিল্যান্ড স্যারকে জানালে তিনি সশরীরে ক্লিনিকে দেখতে আসেন এবং সকল বিল পরিশোধ করেন।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়ের হোসেন জানান, রাজমিস্ত্রি মেরাজের শ্বশুর অফিসে এসে বিষয়টি জানালে খোঁজ খবর নিয়ে নিশ্চিত হয়ে তাদের দেখতে যান। পরে তাদের পুরো বিল পরিশোধ করে দম্পতির হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।