আপডেট টাইম :
০৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২
২৬০
বার পঠিত
শারদীয়া দুর্গাপুজা উপলক্ষে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ততা বাড়ছে পালদের
আগামী পয়লা অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শারদীয়া দুর্গাপূজা । আর দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা তৈরির কারিগর বলে পরিচিত পালেরা। এখন বাকি দিনগুলোতে তারা এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে যে প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে। যদিও এক্ষেত্রে প্রতিটা পূজার পারিশ্রমিক ও উঠানামা করছে। এবছর সর্বনিম ৪০ হাজার টাকায় প্রতিমা বানাচ্ছেন বলে জানান অনেক পাল। এ ব্যাপারে কথা হয় বেলেশ্বরের বিশ্বজিৎ পালের সাথে। তিনি প্রতিমা তৈরি করছেন সোভরামপুর বোর্ড অফিসের সামনে। তিনি বলেন এবছর প্রতিটি প্রতিমা তৈরি করতে তিনি নিচ্ছেন ৫০ হাজার টাকা করে। এ বছর তিনি মোট আটটি প্রতিমা তৈরি করছেন। এরমধ্যে ফরিদপুর শহরে একটি প্রতিমা তিনি গড়াচ্ছেন । এছাড়া গ্রামাঞ্চলে তার প্রতিমা বেশি। তিনি বলেন এবছর জিনিসপত্র দাম বাড়ার কারণে এই টাকা নেবার পরও তার হাতে তেমন কিছু থাকবে না বলে তিনি জানান। এদিকে ফরিদপুর শহরে বিভিন্ন পূজা মন্দির ঘুরে দেখা যায় । বেশিরভাগ মন্দিরে ই প্রতিমার মাটির কাজ অনেকটা শেষ হয়ে গেছে। অনেক স্থানে অস্থায়ীভাবে পুজোর ঘর তৈরি হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে এবারে শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলগুলোতেও দুর্গাপূজার দারুণভাবে জমবে। এদিকে পুজোর যে কদিন বাকি রয়েছে সেই কদিন পালদের অত্যন্ত ব্যস্ততম পার করতে হচ্ছে। তারপরও তারা এবছর ভালো পুজো হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। আরওপড়ুনঃ কুষ্টিয়ায় বাবা-ছেলের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
আগামী পয়লা অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শারদীয়া দুর্গাপূজা । আর দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা তৈরির কারিগর বলে পরিচিত পালেরা। এখন বাকি দিনগুলোতে তারা এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে যে প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে।
যদিও এক্ষেত্রে প্রতিটা পূজার পারিশ্রমিক ও উঠানামা করছে। এবছর সর্বনিম ৪০ হাজার টাকায় প্রতিমা বানাচ্ছেন বলে জানান অনেক পাল। এ ব্যাপারে কথা হয় বেলেশ্বরের বিশ্বজিৎ পালের সাথে। তিনি প্রতিমা তৈরি করছেন সোভরামপুর বোর্ড অফিসের সামনে। তিনি বলেন এবছর প্রতিটি প্রতিমা তৈরি করতে তিনি নিচ্ছেন ৫০ হাজার টাকা করে। এ বছর তিনি মোট আটটি প্রতিমা তৈরি করছেন। এরমধ্যে ফরিদপুর শহরে একটি প্রতিমা তিনি গড়াচ্ছেন । এছাড়া গ্রামাঞ্চলে তার প্রতিমা বেশি। তিনি বলেন এবছর জিনিসপত্র দাম বাড়ার কারণে এই টাকা নেবার পরও তার হাতে তেমন কিছু থাকবে না বলে তিনি জানান।
এদিকে ফরিদপুর শহরে বিভিন্ন পূজা মন্দির ঘুরে দেখা যায় । বেশিরভাগ মন্দিরে ই প্রতিমার মাটির কাজ অনেকটা শেষ হয়ে গেছে। অনেক স্থানে অস্থায়ীভাবে পুজোর ঘর তৈরি হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে এবারে শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলগুলোতেও দুর্গাপূজার দারুণভাবে জমবে। এদিকে পুজোর যে কদিন বাকি রয়েছে সেই কদিন পালদের অত্যন্ত ব্যস্ততম পার করতে হচ্ছে। তারপরও তারা এবছর ভালো পুজো হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।