রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুরে ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে ঈদগাহ মাঠে গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় আওয়ামী যুবলীগের তিন নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—লালপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি ও লালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম (৫২), যুবলীগের সক্রিয় কর্মী মো. হাফিজুর রহমান (৩৫) এবং লালপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমন আহম্মেদ আগুন (২২)। জাহাঙ্গীর আলম বালিতিতা ইসলামপুর গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে, হাফিজুর রহমান রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে, শরিফুল ইসলাম উত্তর লালপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলী ও ইমন আহম্মেদ একই গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ ২০২৫ চট উপজেলার বালিতিতা রামকৃষ্ণপুর (চিনি বটতলা) ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। এতে বিএনপি কর্মী মো. শরিফুল ইসলাম সুজাতসহ পাঁচজন আহত হন। ঘটনার পর ওই দিন রাতে গুলিবিদ্ধ বিএনপি কর্মী বালিতিতা রামকৃষ্ণপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম সুজাতের বাবা মো. আরজেল আলী বাদী হয়ে লালপুর থানায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, গ্রেপ্তার চারজনকে ২০২৫ সালের ১’লা এপ্রিল সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শনিবার বিকেলে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ওই ঘটনার দেড় বছর পার হলেও এখনো কোনো অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 


















