আপডেট টাইম :
০৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪
৩৪১
বার পঠিত
রাজাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৮ ব্যাচের আয়োজনে ঈদ পূর্ণমিলনী
ঝালকাঠির রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রাক্তন শিক্ষার্থী ৯৮ ব্যাচ এর আয়োজনে ঈদ পুর্ণমিলনী ও মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। ঈদের তৃতীয় দিন শনিবার দুপুরে রাজাপুর সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়। মধ্যাহ্ন ভোজে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৭ পর্যন্ত দশটি ব্যাচের সাড়ে চারশো (৪৫০) জন অতিথি অংশগ্রহণ করা ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুধীজন ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর কলেজ মাঠে সন্ধ্যায় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আয়োজকরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ঢাকার বিখ্যাত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে। আয়োজক কমিটির প্রধান তরুণ ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ইলিয়াস ফরহাদ প্রিন্স বলেন, আমরা সবাই কর্মব্যস্ত। রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৮ সালে এসএসসি পাস করার আমরা বিভিন্ন জায়গায় উচ্চশিক্ষার জন্য চলে যাই। এরপর লেখাপড়া শেষ করে আমরা কর্ম জীবনে প্রবেশ করি। দীর্ঘদিন বন্ধুদের সাথে দেখা নেই, সহপাঠী বন্ধুদের সাথে একটি বন্ডিং তৈরি করার জন্যই মূলত আমার এ আয়োজন। এ আয়োজনের মাধ্যমে আমরা বন্ধুরা ছাড়াও আমাদের পরবর্তী আরো ৯ ব্যাচের ছোট ভাইদের সাথে মিলিত হতে পেরেছি। আরও পড়ুনঃ ফরিদপুর সদর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত, আহত ৫ তিনি বলেন, বন্ধুদের প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা ছিল বলেই অনুষ্ঠানটি সফল হয়েছে। রাজাপুরে এ ধরনের আয়োজন এটিই প্রথম। ভবিষ্যতে এই ধরনের আয়োজন চলমান থাকবে বলেও জানান আয়োজন কমিটির প্রধান তরুণ ব্যবসায়ী ইলিয়াস ফরহাদ প্রিন্স।
ঝালকাঠির রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রাক্তন শিক্ষার্থী ৯৮ ব্যাচ এর আয়োজনে ঈদ পুর্ণমিলনী ও মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। ঈদের তৃতীয় দিন শনিবার দুপুরে রাজাপুর সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়। মধ্যাহ্ন ভোজে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৭ পর্যন্ত দশটি ব্যাচের সাড়ে চারশো (৪৫০) জন অতিথি অংশগ্রহণ করা ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুধীজন ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর কলেজ মাঠে সন্ধ্যায় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আয়োজকরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ঢাকার বিখ্যাত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে।
আয়োজক কমিটির প্রধান তরুণ ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ইলিয়াস ফরহাদ প্রিন্স বলেন, আমরা সবাই কর্মব্যস্ত। রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৮ সালে এসএসসি পাস করার আমরা বিভিন্ন জায়গায় উচ্চশিক্ষার জন্য চলে যাই। এরপর লেখাপড়া শেষ করে আমরা কর্ম জীবনে প্রবেশ করি। দীর্ঘদিন বন্ধুদের সাথে দেখা নেই, সহপাঠী বন্ধুদের সাথে একটি বন্ডিং তৈরি করার জন্যই মূলত আমার এ আয়োজন। এ আয়োজনের মাধ্যমে আমরা বন্ধুরা ছাড়াও আমাদের পরবর্তী আরো ৯ ব্যাচের ছোট ভাইদের সাথে মিলিত হতে পেরেছি।
তিনি বলেন, বন্ধুদের প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা ছিল বলেই অনুষ্ঠানটি সফল হয়েছে। রাজাপুরে এ ধরনের আয়োজন এটিই প্রথম। ভবিষ্যতে এই ধরনের আয়োজন চলমান থাকবে বলেও জানান আয়োজন কমিটির প্রধান তরুণ ব্যবসায়ী ইলিয়াস ফরহাদ প্রিন্স।