আপডেট টাইম :
০৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩
২২৬
বার পঠিত
মাইকে ঘোষণা দিয়ে হাজার হাজার সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দুই ইউনিয়নবাসী মাইকে ঘোষণা দিয়ে হাজার হাজার সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে । এতে এলাকা রণক্ষেত্র পরিনত হয়েছে। এ ঘটনায় ১০ জন আহত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা শিমুল বাজার এলাকার আশেপাশে থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ বেলা ১২টা পর্যন্ত ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। সংবাদ শুনে ভাঙ্গা থানা পুলিশ, ঘারুয়া কালামৃর্ধা ও আজিমনগর ৩ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের প্রচেষ্টায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানা যায়, গত ৪-৫ দিন আগে আজিমনগর ইউনিয়ন পরিষদে এক শালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ঐ শালিশ বৈঠকে চলাকালে পাত্রাইল গ্রামের কিছু যুবক পুকুরপাড় গ্রামের ৪জনকে মারধর করে। এর সূত্র ধরে আজ সকাল দশটার সময় পাত্রাইল গ্রামের পক্ষ হয়ে কালামৃর্ধা ইউনিয়নের লোকজন এবং পুকুরপাড় গ্রামের লোকজনের আজিমনগর ইউনিয়নবাসী সমর্থন দেয়। এতে দুই ইউনিয়নবাসীর মধ্যে হাজার হাজার সমর্থক সংঘর্ষের প্রস্তুত নেয়। সংঘর্ষের চলাকালে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যান্ডপার্টির বাদ্য বাজিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় । স্থানীয় তিন ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশের সহযোগিতায় বড় ধরনের সংঘর্ষ থেকে রক্ষা পায়। এ ঘটনা এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। আরও পড়ুনঃ নাইক্ষ্যংছড়ি-তে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে বালু উত্তোলন ও পাহাড় কাটার হিড়িক, দেখার কেউ নেই এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জিয়ারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত আছে। তবে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে...
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দুই ইউনিয়নবাসী মাইকে ঘোষণা দিয়ে হাজার হাজার সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে । এতে এলাকা রণক্ষেত্র পরিনত হয়েছে। এ ঘটনায় ১০ জন আহত হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা শিমুল বাজার এলাকার আশেপাশে থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ বেলা ১২টা পর্যন্ত ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। সংবাদ শুনে ভাঙ্গা থানা পুলিশ, ঘারুয়া কালামৃর্ধা ও আজিমনগর ৩ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের প্রচেষ্টায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানা যায়, গত ৪-৫ দিন আগে আজিমনগর ইউনিয়ন পরিষদে এক শালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ঐ শালিশ বৈঠকে চলাকালে পাত্রাইল গ্রামের কিছু যুবক পুকুরপাড় গ্রামের ৪জনকে মারধর করে। এর সূত্র ধরে আজ সকাল দশটার সময় পাত্রাইল গ্রামের পক্ষ হয়ে কালামৃর্ধা ইউনিয়নের লোকজন এবং পুকুরপাড় গ্রামের লোকজনের আজিমনগর ইউনিয়নবাসী সমর্থন দেয়।
এতে দুই ইউনিয়নবাসীর মধ্যে হাজার হাজার সমর্থক সংঘর্ষের প্রস্তুত নেয়। সংঘর্ষের চলাকালে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যান্ডপার্টির বাদ্য বাজিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় । স্থানীয় তিন ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশের সহযোগিতায় বড় ধরনের সংঘর্ষ থেকে রক্ষা পায়। এ ঘটনা এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জিয়ারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত আছে। তবে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে আল্লাহ রক্ষা করেছে।