ভেড়ামারায় ওয়ারিং গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ১ জনের মৃত্যু
ওয়ারিং গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৩ জন আহত হয় । ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা শহরে পৌর এলাকায় বোর্ড স্কুলের সূন্নিকটে। আহত ৩জন কে চিকিৎসার জন্য দ্রুত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত সিয়াম হোসেন (১১) অবস্থা আশংকা জনক হলে, তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মঙ্লবার রাতে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথেমধ্যে সিয়াম মারা যায়। সে পৌর এলাকা কাচারী পাড়া গ্রামের তাহাজ উদ্দীনের ছেলে সিয়াম (১১)। ভেড়ামারা থানা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ২৩মে,মঙ্গলবার বিকেল ৫টার সময় ভেড়ামারা শহরে বোর্ড স্কুলের পাশে মাইক্রোবাস ষ্ট্যান্ডের সামনে বিসমিল্লাহ দোকানের মালিক মুন্না সহ তার দুই কর্মচারী সিয়াম ও সিজান ওয়ারিং মেরামত কাজে ব্যস্ত ছিলো। এসময় গ্যাস সিলিন্ডার হঠাৎ করে বিস্ফোরণ ঘটলে ৩জন আহত হয়। তাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিসার জন্য প্রথমে ভেড়ামারা হাসপাতালে ও পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসতালে নিয়ে যায়। আরও পড়ুনঃ অস্ত্র মামলায় এক ব্যক্তির ২০ বছর কারাদণ্ড আহতরা হলেন, কাচারী পাড়া গ্রামের তাহাজ উদ্দীনের ছেলে সিয়াম (১১), শাহিনের ছেলে মিজান (১৪) ওকিসমত ড্রাইভারের ছেলে মুন্না (২৫) । সিয়ামের অবস্থা আশংকাজনক হলে কত্যবরত চিকিৎসক তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রিফাড করলে তার আত্মিয়স্বজন মঙ্গলবার রাতেই ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথেমধ্যে সিয়াম মারা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ।
ওয়ারিং গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৩ জন আহত হয় । ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা শহরে পৌর এলাকায় বোর্ড স্কুলের সূন্নিকটে। আহত ৩জন কে চিকিৎসার জন্য দ্রুত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত সিয়াম হোসেন (১১) অবস্থা আশংকা জনক হলে, তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মঙ্লবার রাতে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথেমধ্যে সিয়াম মারা যায়।
সে পৌর এলাকা কাচারী পাড়া গ্রামের তাহাজ উদ্দীনের ছেলে সিয়াম (১১)।
ভেড়ামারা থানা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ২৩মে,মঙ্গলবার বিকেল ৫টার সময় ভেড়ামারা শহরে বোর্ড স্কুলের পাশে মাইক্রোবাস ষ্ট্যান্ডের সামনে বিসমিল্লাহ দোকানের মালিক মুন্না সহ তার দুই কর্মচারী সিয়াম ও সিজান ওয়ারিং মেরামত কাজে ব্যস্ত ছিলো। এসময় গ্যাস সিলিন্ডার হঠাৎ করে বিস্ফোরণ ঘটলে ৩জন আহত হয়।
তাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিসার জন্য প্রথমে ভেড়ামারা হাসপাতালে ও পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসতালে নিয়ে যায়।