আপডেট টাইম :
০৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২
২০২
বার পঠিত
ভাঙ্গায় স্কুলছাত্রীর উপর চেতনানাশক স্প্রে ছিটিয়ে বাসায় চুরি
ফরিদপুর ভাঙ্গায় চেতনানাশক স্প্রে ছিটিয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল দুপুরে ভাঙ্গা উপজেলার ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বিল্লাল মাতুব্বরের বাড়ির চতুর্থ তলায় ভাড়াটিয়া আলাল মাতুব্বরের বাসায় এই দুর্র্ধষ চুরির ঘটনা ঘটে। এই বিষয়ে আলাল মাতুব্বর জানান, প্রতিদিনের ন্যায় আমি সকালে কাজের জন্য বাসা থেকে বের হয়ে যাই। এসময় আমার স্ত্রীও আমার এক সন্তানকে নিয়ে কোচিংয়ে যায়। বাসায় আমার আরেক মেয়ে রিদিতা ছিল। চোরের দল বাসার দরজা নক করে আমার মোবাইল নাম্বার চায় আমার মেয়ে রিদিতার নিকট। আমার মেয়ে দরজা খুলে মোবাইল নাম্বার বলতে বলতে চোরের দল আমার মেয়ের চোখে মুখে অজ্ঞানের ওষুধ স্প্রে করে। আমার মেয়ে অজ্ঞান হয়ে ফ্লোরে পরেছিল। চোরের দল ঘরে থাকা এক লক্ষ বাইশ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার সহ বেশ কিছু দামি জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। আমার স্ত্রী কোচিং থেকে ফিরে মেয়েকে ফ্লোরে পয়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে মেয়েকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেছে নির্দিষ্ট একটি সময় পর আমার মেয়ের জ্ঞান ফিরবে। আরও পড়ুনঃ খোকসায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালির ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেছেন, চুরির ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
ফরিদপুর ভাঙ্গায় চেতনানাশক স্প্রে ছিটিয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল দুপুরে ভাঙ্গা উপজেলার ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বিল্লাল মাতুব্বরের বাড়ির চতুর্থ তলায় ভাড়াটিয়া আলাল মাতুব্বরের বাসায় এই দুর্র্ধষ চুরির ঘটনা ঘটে।
এই বিষয়ে আলাল মাতুব্বর জানান, প্রতিদিনের ন্যায় আমি সকালে কাজের জন্য বাসা থেকে বের হয়ে যাই। এসময় আমার স্ত্রীও আমার এক সন্তানকে নিয়ে কোচিংয়ে যায়। বাসায় আমার আরেক মেয়ে রিদিতা ছিল। চোরের দল বাসার দরজা নক করে আমার মোবাইল নাম্বার চায় আমার মেয়ে রিদিতার নিকট। আমার মেয়ে দরজা খুলে মোবাইল নাম্বার বলতে বলতে চোরের দল আমার মেয়ের চোখে মুখে অজ্ঞানের ওষুধ স্প্রে করে। আমার মেয়ে অজ্ঞান হয়ে ফ্লোরে পরেছিল।
চোরের দল ঘরে থাকা এক লক্ষ বাইশ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার সহ বেশ কিছু দামি জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। আমার স্ত্রী কোচিং থেকে ফিরে মেয়েকে ফ্লোরে পয়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে মেয়েকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেছে নির্দিষ্ট একটি সময় পর আমার মেয়ের জ্ঞান ফিরবে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেছেন, চুরির ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।