ঢাকা , বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

বিদেশের মাটিতে প্রথম স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলনকারী রাষ্ট্রদূত এম. হোসেন আলী

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশের মাটিতে প্রথম স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলনকারী এবং প্রথম কুটনীতিক যিনি পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে ৬৫ জন সহকর্মী নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন, তিনি হলেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রদূত এম. হোসেন আলী।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার মুজিব নগরে প্রবাসী সরকারের শপথ গ্রহনের পরেরদিন ১৮ এপ্রিল কলকাতায় অবস্থিত পাকিস্তানের উপ দুতাবাসের ডিপুটি হাইকমিশনার এম. হোসেন আলী তাঁর অফিস থেকে পাকিস্তানী পতাকা নামিয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন। তাঁর অধীনস্থ ৬৫ জন বাঙালী কর্মকর্তা কর্মচারী বাংলাদেশের পক্ষ অবলম্বন করেন। এই ঘটনাটি তৎকালীন সময়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বে আলোচিত ঘটনা হয়। ঠিক তেমনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এ ঘটনাটি দারুনভাবে আলোড়িত হয়।

উল্লেখিত ঘটনার পর প্রবাসী মুজিবনগর সরকার কলকাতার হাই কমিশনকে বাংলাদেশ মিশন নামকরন করে এম. হোসেন আলীকে জৈষ্ঠ কুটনীতিক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িতরা সবাই জানেন, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদানের কথা। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ মিশন ছিল প্রবাসী সরকারের প্রধান কেন্দ্রস্থল। এখান থেকেই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হতো। বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ শরনার্থীর আশ্রয় খাদ্যে সহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহে ব্যবস্থা গ্রহন করা এবং পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ এবং অস্ত্র প্রদানের ব্যবস্থা করা সহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমর্থন, সহযোগীতা এবং কুটনৈতিক তৎপরতার সব কিছু পরিচালিত হতো কলকাতার পার্ক ষ্ট্রীটে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন থেকে। আর এই সকল কর্মকান্ডের নেপথ্য কারিগর ছিলেন, মিশন প্রধান এম. হোসেন আলী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রদূত এম. হোসেন আলী। -ছবি সংগৃহীত।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় দুই শিশুকে সড়কের পাশে রেখে যাওয়ার অভিযোগ

error: Content is protected !!

বিদেশের মাটিতে প্রথম স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলনকারী রাষ্ট্রদূত এম. হোসেন আলী

আপডেট টাইম : ১০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১
শুভাশীষ ভট্টাচার্য্য তুষার, পাবনা প্রতিনিধিঃ :

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশের মাটিতে প্রথম স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলনকারী এবং প্রথম কুটনীতিক যিনি পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে ৬৫ জন সহকর্মী নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন, তিনি হলেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রদূত এম. হোসেন আলী।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার মুজিব নগরে প্রবাসী সরকারের শপথ গ্রহনের পরেরদিন ১৮ এপ্রিল কলকাতায় অবস্থিত পাকিস্তানের উপ দুতাবাসের ডিপুটি হাইকমিশনার এম. হোসেন আলী তাঁর অফিস থেকে পাকিস্তানী পতাকা নামিয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন। তাঁর অধীনস্থ ৬৫ জন বাঙালী কর্মকর্তা কর্মচারী বাংলাদেশের পক্ষ অবলম্বন করেন। এই ঘটনাটি তৎকালীন সময়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বে আলোচিত ঘটনা হয়। ঠিক তেমনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এ ঘটনাটি দারুনভাবে আলোড়িত হয়।

উল্লেখিত ঘটনার পর প্রবাসী মুজিবনগর সরকার কলকাতার হাই কমিশনকে বাংলাদেশ মিশন নামকরন করে এম. হোসেন আলীকে জৈষ্ঠ কুটনীতিক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িতরা সবাই জানেন, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদানের কথা। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ মিশন ছিল প্রবাসী সরকারের প্রধান কেন্দ্রস্থল। এখান থেকেই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হতো। বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ শরনার্থীর আশ্রয় খাদ্যে সহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহে ব্যবস্থা গ্রহন করা এবং পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ এবং অস্ত্র প্রদানের ব্যবস্থা করা সহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমর্থন, সহযোগীতা এবং কুটনৈতিক তৎপরতার সব কিছু পরিচালিত হতো কলকাতার পার্ক ষ্ট্রীটে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন থেকে। আর এই সকল কর্মকান্ডের নেপথ্য কারিগর ছিলেন, মিশন প্রধান এম. হোসেন আলী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রদূত এম. হোসেন আলী। -ছবি সংগৃহীত।