কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার বারুইপাড়া ইউনিয়নের মির্জানগর গ্রামে পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ ও ভাঙনরোধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। মানববন্ধনে মীর আব্দুল করিম কলেজের শিক্ষার্থী, ছত্রগাছা ও মির্জানগরসহ আশপাশের গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তি অংশ নেন। এ ছাড়া বারুইপাড়া, বহলবাড়ী ও তালবাড়ীয়া ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ এতে অংশ নেন। মানববন্ধনে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শুক্রবার (০৭ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা এ মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধন থেকে ‘গোরস্থান বাঁচাও গ্রাম বাঁচাও’, ‘কলেজ বাঁচাও মহাসড়ক বাঁচাও’, ‘নদী বাঁধের জিওব্যাগ রক্ষা করো’, ‘ফসলি জমি রক্ষা করো’, ‘যত্রতত্র বালু তোলা বন্ধ করো’ ও ‘বসতবাড়ি নদীর ভাঙন থেকে বাঁচানোর’ দাবি জানানো হয়। আরও পড়ুনঃ আমতলীতে ধর্ষন চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে গার্মেন্টস কর্মীকে অমানুষিক নির্যাতন মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কিছু অসাধু চক্র সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ব্যাপক ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে চরম হুমকিতে পড়েছে মির্জানগর গোরস্থান, শতবর্ষী মীর আব্দুল করিম কলেজ, মাদ্রাসা ও কয়েকশ বসতবাড়ি। ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে শত শত বিঘা ফসলি জমি। এ সময় সমস্যা সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার বারুইপাড়া ইউনিয়নের মির্জানগর গ্রামে পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ ও ভাঙনরোধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে মীর আব্দুল করিম কলেজের শিক্ষার্থী, ছত্রগাছা ও মির্জানগরসহ আশপাশের গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তি অংশ নেন। এ ছাড়া বারুইপাড়া, বহলবাড়ী ও তালবাড়ীয়া ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ এতে অংশ নেন।
মানববন্ধনে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শুক্রবার (০৭ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা এ মানববন্ধন করেন তারা।
মানববন্ধন থেকে ‘গোরস্থান বাঁচাও গ্রাম বাঁচাও’, ‘কলেজ বাঁচাও মহাসড়ক বাঁচাও’, ‘নদী বাঁধের জিওব্যাগ রক্ষা করো’, ‘ফসলি জমি রক্ষা করো’, ‘যত্রতত্র বালু তোলা বন্ধ করো’ ও ‘বসতবাড়ি নদীর ভাঙন থেকে বাঁচানোর’ দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কিছু অসাধু চক্র সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ব্যাপক ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে চরম হুমকিতে পড়েছে মির্জানগর গোরস্থান, শতবর্ষী মীর আব্দুল করিম কলেজ, মাদ্রাসা ও কয়েকশ বসতবাড়ি। ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে শত শত বিঘা ফসলি জমি। এ সময় সমস্যা সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।