দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
ফরিদপুরের নয় উপজেলায় ১৮ হাজার ৭শ ৩০ ব্যক্তি করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ডোজ টিকার অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। তবে জেলা প্রশাসক ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে অনিশ্চতার কোনো কারণ নেই, দ্রুতই দেওয়া হবে কোভিড-১৯ এ টিকা। ফরিদপুর সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাকের) সভাপতি অ্যাড. শিপ্রা গোস্বামী এ বিষয়ে বলেন, সরকার টিকা আমদানির চেষ্টা ট্রুটি করছে না, তবে প্রথম ডোজ দেওয়ার সময় পরিকল্পনা করার দরকার ছিলো দ্বিতীয় ডোক কত জনকে দেওয়ার সম্ভব হবে। তাহলে মানুষের মাঝে অনিশ্চয়তায় সৃষ্টি হতো না। ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. ছীদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে প্রাপ্ত কোভিড-১৯ প্রতিরোধক টিকার প্রথম ডোজ জেলায় সম্পন্ন হয়েছে ৬৩ হাজার ৬৬৩ ব্যক্তি। এর বিপরীতে দ্বিতীয় ডোজ টিকা এখন পযন্ত দেওয়া শেষ হয়েছে ৪৪ হাজার ৯৩৪ ব্যক্তিকে। এরমধ্যে বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে ফরিদপুর সদর উপজেলাতে। সদরে দেওয়া হয়েছে প্রথম ডোজ ২০,৮৫৬ ব্যক্তিকে। এখন জেলায় দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া বাকি রয়েছে ১৮ হাজার ৭৩০ জন। তিনি বলেন, আমাদের সিরামের টিকা স্টক শেষ হয়েছে তিন দনি আগে। পরে গত দুইদিন পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে ৬০ ভাইরাল সংগ্রহ করে ৬শ ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে। এখন (আজ) আমাদের কাছে কোনো টিকা নেই। জেলার এই শীষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, টিকা আনার চেষ্টা চলছে। আশা করা হচ্ছে চলে আসবে।
ফরিদপুরের নয় উপজেলায় ১৮ হাজার ৭শ ৩০ ব্যক্তি করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ডোজ টিকার অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। তবে জেলা প্রশাসক ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে অনিশ্চতার কোনো কারণ নেই, দ্রুতই দেওয়া হবে কোভিড-১৯ এ টিকা।
ফরিদপুর সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাকের) সভাপতি অ্যাড. শিপ্রা গোস্বামী এ বিষয়ে বলেন, সরকার টিকা আমদানির চেষ্টা ট্রুটি করছে না, তবে প্রথম ডোজ দেওয়ার সময় পরিকল্পনা করার দরকার ছিলো দ্বিতীয় ডোক কত জনকে দেওয়ার সম্ভব হবে। তাহলে মানুষের মাঝে অনিশ্চয়তায় সৃষ্টি হতো না।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. ছীদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে প্রাপ্ত কোভিড-১৯ প্রতিরোধক টিকার প্রথম ডোজ জেলায় সম্পন্ন হয়েছে ৬৩ হাজার ৬৬৩ ব্যক্তি। এর বিপরীতে দ্বিতীয় ডোজ টিকা এখন পযন্ত দেওয়া শেষ হয়েছে ৪৪ হাজার ৯৩৪ ব্যক্তিকে। এরমধ্যে বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে ফরিদপুর সদর উপজেলাতে। সদরে দেওয়া হয়েছে প্রথম ডোজ ২০,৮৫৬ ব্যক্তিকে। এখন জেলায় দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া বাকি রয়েছে ১৮ হাজার ৭৩০ জন।
তিনি বলেন, আমাদের সিরামের টিকা স্টক শেষ হয়েছে তিন দনি আগে। পরে গত দুইদিন পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে ৬০ ভাইরাল সংগ্রহ করে ৬শ ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে। এখন (আজ) আমাদের কাছে কোনো টিকা নেই।
জেলার এই শীষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, টিকা আনার চেষ্টা চলছে। আশা করা হচ্ছে চলে আসবে।