সপ্তাহ জুড়ে রয়েছে তীব্র গরম। আর এতে প্রতিদিন বাড়ছে ফরিদপুরে শিশু রোগীর সংখ্যা। ফরিদপুর শিশু হাসপাতালে গত সাত দিনে আউটডোরে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুন বেড়েছে রোগী। তাদের অধিকাংশ ঠান্ডা, জ্বর, ডায়রিয়া, হাত-পায়ে চুলকানি সমস্যা জনিত ।
শনিবার শহরের ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসাপতালে গিয়ে দেখা যায় জেলা সদর ও আশে-পাশের এলাকা থেকে অভিভাবকেরা তাদের প্রিয় সন্তানকে নিয়ে ভীড় করেছে চিকিৎকের পরামর্শ নিতে।
তবে ফরিদপুর অঞ্চলের বিশেষায়িত এই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বলছে এতে হতাশ হওয়ার কোন কারণ নেই। শিশুদের অভিভাবকেরা একটু সচেতন হলেই সাময়িক এই সম্যাসা থেকে উত্তোন হওয়া সম্ভব।
শিশু হাসপাতালের তথ্য মতে, গত ৬/৭ দিনের গরমে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ। শুধু গরমের কারণে অসুস্থ্ হয়ে আউট ডোরে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুর সংখ্যা ছিল প্রতিদিন গড়ে ৪শ থেকে ৫শ ।
শহরতলীর তাম্বুল খানা থেকে আসা গৃহীনি সাবিনা বেগম। তার দুই বছরের শিশু সন্তান সাইদ শেখকে নিয়ে শহরের শিশু হাসপাতালের এসেছে। তিনি জানান, দুই দিন হলো বাচ্চার ঠান্ডা জনিত জ্বর হয়েছে। ডাক্তার দেখানো হয়েছে।
তিনি জানান আমার মতো অনেক মা তাদের শিশুদের নিয়ে ভীড় করছে এই হাসপাতালে। রোগীর প্রচুর চাপ।
আরও পড়ুনঃ সালথায় পানির অভাবে পাট পঁচন নিয়ে বিপাকে চাষিরা
শহরের টেপাখোলা এলাকা থেকে আসা সুথি সাহা। তিনি বলেন, প্রচন্ড গরমের আমার বাচ্চা শরীরের চুলকানি ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট ফোট উঠেছে। কিছু খাচ্ছে না । হাসপাতালে রোগীর চাপ অপেক্ষায় আছি ।
ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসাপতালে চিকিৎসক মৃত্যুঞ্জয় সাহা স্বপন বলেন, ‘গরমের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই প্রায় ৪’শ থেকে ৫’শ শিশু অসুস্থ্ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছে।
তিনি বলেন, এই সময়ে শিশুরা যেনো ঘরের বাইরে না যায়, বেশি বেশি ঠান্ডা খাবার বা স্যালাইন খাওয়ানো যেতে পারে। প্রয়োজনে চিকিৎকের পরামর্শ নিতে হবে।’

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
শেখ মফিজুর রহমান শিপনঃ 

























