ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করছে বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যবৃন্দরা
ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন ফরিদপুরে বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যবৃন্দরা। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, আনসার ও ভিডিপির সদস্যবৃন্দ। এছাড়া শহর পরিষ্কারের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ ব্যাপারে জানা গেছে, গত দুদিন যাবত শহরে কোন ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী এবং আনসার ও ভিডিপির সদস্যবৃন্দ । এর মধ্যে শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে কার্যক্রম পরিচালনা করেন তারা। এছাড়া ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দও উক্ত কার্যক্রমে অংশ নেন। এতে অংশগ্রহণকারী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, আমাদের শহর আমাদের পরিষ্কার করতে হবে। আর তাই শহরকে ভালোভাবে সাজাতে হবে। এজন্যই তারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। আরও পড়ুনঃ কুষ্টিয়ায় পুলিশের গুলিতে শিশুসহ ছয়জন নিহত, শতাধিক গুলিবিদ্ধ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী প্রায় সবার হাতেই প্লাস্টিকের ঝুড়ি, প্লাস্টিকের বেলচা রয়েছে। অন্যদিকে ট্রাফিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ব্যক্তিবর্গ জানান, তারা এই ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুশি। শহরে যাতে কোনরকম যানজট না হয় সেটাই এখন তাদের প্রথম লক্ষ্য। তারা এ কার্যক্রমে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।
ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন ফরিদপুরে বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যবৃন্দরা। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, আনসার ও ভিডিপির সদস্যবৃন্দ। এছাড়া শহর পরিষ্কারের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে জানা গেছে, গত দুদিন যাবত শহরে কোন ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী এবং আনসার ও ভিডিপির সদস্যবৃন্দ । এর মধ্যে শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে কার্যক্রম পরিচালনা করেন তারা।
এছাড়া ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দও উক্ত কার্যক্রমে অংশ নেন। এতে অংশগ্রহণকারী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, আমাদের শহর আমাদের পরিষ্কার করতে হবে। আর তাই শহরকে ভালোভাবে সাজাতে হবে। এজন্যই তারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী প্রায় সবার হাতেই প্লাস্টিকের ঝুড়ি, প্লাস্টিকের বেলচা রয়েছে। অন্যদিকে ট্রাফিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ব্যক্তিবর্গ জানান, তারা এই ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুশি। শহরে যাতে কোনরকম যানজট না হয় সেটাই এখন তাদের প্রথম লক্ষ্য। তারা এ কার্যক্রমে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।