ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

নড়াইলে সাংবাদিকের স্ত্রীকে বিয়ে, ১২ বছর পর কনস্টেবলের সাজা

নড়াইলের এক সাংবাদিকের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে করার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রবিউল ইসলাম ও নিপা খানম দম্পতিকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) বিকেলে নড়াইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিন এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) এ্যাডভোকেট ইমদাদুল ইসলাম।

পুলিশ কনস্টেবল রবিউল ইসলাম বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় কর্মরত রয়েছেন। তার বাড়ি লোহাগড়া উপজেলার সারুলিয়া গ্রামে।

মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,২০০৭ সালে লোহাগড়া উপজেলার মঙ্গলহাটা গ্রামের আকিকুর রহমান ও পাইকমারী গ্রামের নিপা খানমের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্মলাভ করে। কিন্তু ২০১১ সালে আগের প্রেমের সম্পর্কের কারণে নিপা খানম সারুলিয়া গ্রামের পুলিশ কনস্টেবল রবিউল ইসলামের সঙ্গে পালিয়ে চলে যায়।

ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর নীপা খানম তালাকের নোটিশ পাঠায় তার স্বামীর কাছে। পরে ২৭ অক্টোবর নীপা ও রবিউল বিয়ে করে। পরে দৈনিক প্রতিদিনের কথা পত্রিকার লোহাগড়া উপজেলা প্রতিনিধি আকিকুর রহমান বাদী হয়ে ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে মামলাটি করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসরাফিল খবির রাজু বলেন, দীর্ঘ ১২ বছর পর শুনানি শেষে ইদ্দদকালীন সময় ৩ মাস ১০ দিন পার না করে বিয়ে করায় তালাক বৈধ হয়নি বলে আদালত দন্ডবিধি এর ৪৯৪ ধারায় এ রায় দেন।

আদালতের এই রায়ে সমাজে একটি সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো। অবৈধ তালাকের মাধ্যমে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করা যে অপরাধ সেটা প্রমাণিত হলো।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

নলডাঙ্গায় বোরো ধান কর্তনের শুভ উদ্বোধন: কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার

error: Content is protected !!

নড়াইলে সাংবাদিকের স্ত্রীকে বিয়ে, ১২ বছর পর কনস্টেবলের সাজা

আপডেট টাইম : ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩
খন্দকার সাইফুল্লা আল মাহমুদ, নড়াইল প্রতিনিধি :

নড়াইলের এক সাংবাদিকের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে করার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রবিউল ইসলাম ও নিপা খানম দম্পতিকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) বিকেলে নড়াইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিন এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) এ্যাডভোকেট ইমদাদুল ইসলাম।

পুলিশ কনস্টেবল রবিউল ইসলাম বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় কর্মরত রয়েছেন। তার বাড়ি লোহাগড়া উপজেলার সারুলিয়া গ্রামে।

মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,২০০৭ সালে লোহাগড়া উপজেলার মঙ্গলহাটা গ্রামের আকিকুর রহমান ও পাইকমারী গ্রামের নিপা খানমের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্মলাভ করে। কিন্তু ২০১১ সালে আগের প্রেমের সম্পর্কের কারণে নিপা খানম সারুলিয়া গ্রামের পুলিশ কনস্টেবল রবিউল ইসলামের সঙ্গে পালিয়ে চলে যায়।

ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর নীপা খানম তালাকের নোটিশ পাঠায় তার স্বামীর কাছে। পরে ২৭ অক্টোবর নীপা ও রবিউল বিয়ে করে। পরে দৈনিক প্রতিদিনের কথা পত্রিকার লোহাগড়া উপজেলা প্রতিনিধি আকিকুর রহমান বাদী হয়ে ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে মামলাটি করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসরাফিল খবির রাজু বলেন, দীর্ঘ ১২ বছর পর শুনানি শেষে ইদ্দদকালীন সময় ৩ মাস ১০ দিন পার না করে বিয়ে করায় তালাক বৈধ হয়নি বলে আদালত দন্ডবিধি এর ৪৯৪ ধারায় এ রায় দেন।

আদালতের এই রায়ে সমাজে একটি সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো। অবৈধ তালাকের মাধ্যমে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করা যে অপরাধ সেটা প্রমাণিত হলো।


প্রিন্ট