আপডেট টাইম :
০৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩
৩৫১
বার পঠিত
-ছবিঃ প্রতীকী।
নওগাঁর মান্দায় আম বাগান থেকে যুবক- যুবতীর মরদেহ উদ্ধার
নওগাঁর মান্দায় একটি আম বাগান থেকে আরিফ হোসেন (২০) এবং জনি আক্তার (১৭) নামে যুবক যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ আগস্ট) সকালে মান্দা উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের তুলশিরামপুর এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফ হোসেন তুলশিরামপুর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে এবং জনি আক্তার একই গ্রামের হাফিজুল ইসলামের মেয়ে। মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে তুলশিরামপুর গ্রামের একটি আম বাগানে দুজনের মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। এরপর থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। উদ্ধারের সময় তাদের পাশে পড়া থাকা অবস্থায় গ্যাস ট্যাবলেট এবং পানির বোতল উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্যাস ট্যাবলেট খাওয়ার জন্য তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। আরও পড়ুনঃ কাশিয়ানীতে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ওসি আরও জানান, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে তাদের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি।
নওগাঁর মান্দায় একটি আম বাগান থেকে আরিফ হোসেন (২০) এবং জনি আক্তার (১৭) নামে যুবক যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ আগস্ট) সকালে মান্দা উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের তুলশিরামপুর এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফ হোসেন তুলশিরামপুর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে এবং জনি আক্তার একই গ্রামের হাফিজুল ইসলামের মেয়ে।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে তুলশিরামপুর গ্রামের একটি আম বাগানে দুজনের মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। এরপর থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। উদ্ধারের সময় তাদের পাশে পড়া থাকা অবস্থায় গ্যাস ট্যাবলেট এবং পানির বোতল উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্যাস ট্যাবলেট খাওয়ার জন্য তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
ওসি আরও জানান, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে তাদের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি।