ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

২০২৪ সালে ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির পরাজয় ঘটেছে: প্রধানমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্ক: ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিগত ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির চূড়ান্ত পরাজয় ঘটেছে এবং দেশ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি লাভ করেছে। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের দেশপ্রেমিক সিপাহি ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে চলা সব ধরনের চক্রান্ত সফলভাবে প্রতিহত করেছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চক্রান্তের পথ ধরে একটি মহল মহাজোটের নামে একজোট হয়ে বাংলাদেশকে পুনরায় একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। পিলখানায় বিডিআর সদরদপ্তরে পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে দেশের সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল এবং জনগণের সব গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করা হয়েছিল। তবে হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই অপশক্তির আরও একবার পতন ঘটে।

ভবিষ্যতে কেউ যাতে দেশের জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। তিনি উল্লেখ করেন, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিতে এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হতে হবে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা। বাংলাদেশের সার্বিক বাস্তবতায় এই জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা সবাইকে মনে-প্রাণে ধারণ করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল মূলত স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই আর ২০২৪ সালের সংগ্রাম ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াই। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনাকার্টা হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, যতবার দেশ এই পথরেখা থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ততবারই সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব নাগরিকের একটিমাত্র গর্বিত পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব ও তাৎপর্য ততদিন সমানভাবে প্রাসঙ্গিক থাকবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৪ সালে ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির পরাজয় ঘটেছে: প্রধানমন্ত্রী

error: Content is protected !!

২০২৪ সালে ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির পরাজয় ঘটেছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১৩ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

রাজনীতি ডেস্ক: ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিগত ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সেই পরাজিত অপশক্তির চূড়ান্ত পরাজয় ঘটেছে এবং দেশ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি লাভ করেছে। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের দেশপ্রেমিক সিপাহি ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে চলা সব ধরনের চক্রান্ত সফলভাবে প্রতিহত করেছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চক্রান্তের পথ ধরে একটি মহল মহাজোটের নামে একজোট হয়ে বাংলাদেশকে পুনরায় একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। পিলখানায় বিডিআর সদরদপ্তরে পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে দেশের সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল এবং জনগণের সব গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করা হয়েছিল। তবে হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই অপশক্তির আরও একবার পতন ঘটে।

ভবিষ্যতে কেউ যাতে দেশের জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। তিনি উল্লেখ করেন, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিতে এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হতে হবে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা। বাংলাদেশের সার্বিক বাস্তবতায় এই জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা সবাইকে মনে-প্রাণে ধারণ করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল মূলত স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই আর ২০২৪ সালের সংগ্রাম ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াই। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনাকার্টা হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, যতবার দেশ এই পথরেখা থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ততবারই সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব নাগরিকের একটিমাত্র গর্বিত পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব ও তাৎপর্য ততদিন সমানভাবে প্রাসঙ্গিক থাকবে।