দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
১১:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪
২৬৩
বার পঠিত
দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান সেন্টু হত্যা মামলার আসামি হৃদয় গ্রেপ্তার
ইসমাইল হােসেন বাবু, ষ্টাফ রিপাের্টার কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নঈমুদ্দিন ওরফে সেন্টু হত্যা মামলার আসামি হৃদয় সর্দারকে গ্রেপ্তার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বৈরাগীর চর মন্ডলপাড়া ঘাটের নিচ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দৌলতপুর থানার পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেরেপ্তারকৃত হৃদয় দৌলতপুর উপজেলার পূর্ব ফিলিপনগর কাচারীপাড়া গ্রামের ইন্তাদুল হক সরদারের ছেলে। পুলিশ জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে ইউপি চেয়ারম্যান নঈমুদ্দিনকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। পরদিন চেয়ারম্যানের ছেলে আহসান হাবীব বাদী দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় মোট ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় আরও ৮-১০ জনকে। জানাগেছে হৃদয়কে এই হত্যার মূল আসামী তরিকুল ইসলাম টুকু ও শ্যুটার গিট্টু সোহাগ ভাড়া করেন ও হৃদয়ের নৌকা হত্যাকারীরা ব্যাবহার করে পলায়ন করবে। মামলার পর আলোচিত এই হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় পুলিশ। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হৃদয় সরদারকে গ্রেপ্তার করেছে। দৌলতপুর থানার ওসি বলেন, ১৬৪ ধারার জবানবন্দির হৃদয় নামের একজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেন্টু চেয়ারম্যান হত্যার সঙ্গে জড়িত যে-ই হোক, কাউকে ছাড়া দেওয়া হবেনা, বাকি আসামিদের ধরতে আমাদের পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ইসমাইল হােসেন বাবু, ষ্টাফ রিপাের্টার
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নঈমুদ্দিন ওরফে সেন্টু হত্যা মামলার আসামি হৃদয় সর্দারকে গ্রেপ্তার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বৈরাগীর চর মন্ডলপাড়া ঘাটের নিচ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দৌলতপুর থানার পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেরেপ্তারকৃত হৃদয় দৌলতপুর উপজেলার পূর্ব ফিলিপনগর কাচারীপাড়া গ্রামের ইন্তাদুল হক সরদারের ছেলে। পুলিশ জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে ইউপি চেয়ারম্যান নঈমুদ্দিনকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।
পরদিন চেয়ারম্যানের ছেলে আহসান হাবীব বাদী দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় মোট ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় আরও ৮-১০ জনকে। জানাগেছে হৃদয়কে এই হত্যার মূল আসামী তরিকুল ইসলাম টুকু ও শ্যুটার গিট্টু সোহাগ ভাড়া করেন ও হৃদয়ের নৌকা হত্যাকারীরা ব্যাবহার করে পলায়ন করবে। মামলার পর আলোচিত এই হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় পুলিশ।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হৃদয় সরদারকে গ্রেপ্তার করেছে। দৌলতপুর থানার ওসি বলেন, ১৬৪ ধারার জবানবন্দির হৃদয় নামের একজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেন্টু চেয়ারম্যান হত্যার সঙ্গে জড়িত যে-ই হোক, কাউকে ছাড়া দেওয়া হবেনা, বাকি আসামিদের ধরতে আমাদের পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।